ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কিনছে ইন্দোনেশিয়া

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পাকিস্তানের কাছ থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়া। খবর রয়টার্সের।

পাকিস্তান ও চীনের যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধবিমানটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া ৪০টিরও বেশি জেএফ-১৭ থান্ডার কেনার পরিকল্পনা করছে।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্যাফ্রি শামসোউদ্দিন এবং পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই প্রতিরক্ষা চুক্তির রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই সম্ভাব্য চুক্তিতে কেবল যুদ্ধবিমানই নয়, পাকিস্তানের তৈরি অত্যাধুনিক ‘শাহপর’ ড্রোন কেনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। নজরদারি এবং সরাসরি হামলা চালাতে সক্ষম এই ড্রোনগুলো ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমা রক্ষায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন, যেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে দুই দেশ একমত পোষণ করেছে। আজারবাইজান ও লিবিয়ার সঙ্গে সফল চুক্তির পর আন্তর্জাতিক বাজারে পাকিস্তানের এই যুদ্ধবিমানের চাহিদা এখন ক্রমবর্ধমান।

একই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের সহযোগিতার পথে হাঁটছে পাকিস্তান। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের মধ্যে সামরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের কাছে জেএফ-১৭ থান্ডার ও সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান বিক্রির বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। উন্নত প্রযুক্তি এবং তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকায় অনেক দেশই এখন পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি ব্যয়বহুল বিমানের বিকল্প হিসেবে জেএফ-১৭ থান্ডারকে বেছে নিচ্ছে। এই ধরনের চুক্তিগুলো এশীয় অঞ্চলে নতুন সামরিক ভারসাম্য তৈরি করবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কিনছে ইন্দোনেশিয়া

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পাকিস্তানের কাছ থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়া। খবর রয়টার্সের।

পাকিস্তান ও চীনের যৌথ প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধবিমানটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া ৪০টিরও বেশি জেএফ-১৭ থান্ডার কেনার পরিকল্পনা করছে।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্যাফ্রি শামসোউদ্দিন এবং পাকিস্তানের বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই প্রতিরক্ষা চুক্তির রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই সম্ভাব্য চুক্তিতে কেবল যুদ্ধবিমানই নয়, পাকিস্তানের তৈরি অত্যাধুনিক ‘শাহপর’ ড্রোন কেনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। নজরদারি এবং সরাসরি হামলা চালাতে সক্ষম এই ড্রোনগুলো ইন্দোনেশিয়ার আকাশসীমা রক্ষায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন, যেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে দুই দেশ একমত পোষণ করেছে। আজারবাইজান ও লিবিয়ার সঙ্গে সফল চুক্তির পর আন্তর্জাতিক বাজারে পাকিস্তানের এই যুদ্ধবিমানের চাহিদা এখন ক্রমবর্ধমান।

একই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের সহযোগিতার পথে হাঁটছে পাকিস্তান। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের মধ্যে সামরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের কাছে জেএফ-১৭ থান্ডার ও সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান বিক্রির বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। উন্নত প্রযুক্তি এবং তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকায় অনেক দেশই এখন পশ্চিমা দেশগুলোর তৈরি ব্যয়বহুল বিমানের বিকল্প হিসেবে জেএফ-১৭ থান্ডারকে বেছে নিচ্ছে। এই ধরনের চুক্তিগুলো এশীয় অঞ্চলে নতুন সামরিক ভারসাম্য তৈরি করবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।