ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।