ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।