ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ট্রাম্পের হুমকির পর সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার কানাডার

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর কানাডা তার উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে। সীমান্তে উন্নত নজরদারি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় একটি যৌথ ‘স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠনের কথা ভাবছে ট্রুডো প্রশাসন।

গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কানাডা যদি অনিয়মিত অভিবাসী এবং অবৈধ মাদকের প্রবাহ বন্ধে সীমান্ত সুরক্ষিত না করে তাহলে ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার পরই তাদের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর কানাডা ৯০৮ মিলিয়ন ডলারের একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘এরিয়াল ইন্টেলিজেন্স টাস্ক ফোর্স’ গঠন করা হচ্ছে। রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এই টাস্ক ফোর্স পরিচালনা করবে। এই ফোর্সের কাছে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং মোবাইল নজরদারি টাওয়ারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

মঙ্গলবার ট্রুডো প্রশাসনের নবনির্বাচিত অর্থ ও আন্তঃসরকার বিষয়ক মন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাং জানান, অবৈধ মাদক এবং অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবাহ থেকে সীমান্ত সুরক্ষিত করতে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এগুলো একই সঙ্গে উত্তর আমেরিকার সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি-মানুষ ও পণ্যের মুক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করবে।

পরিকল্পনায় মাদক বাণিজ্য বন্ধ করা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য নতুন সরঞ্জাম সরবরাহ, মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি, তথ্য বিনিময় বাড়ানো এবং সীমান্তে যানবাহনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।

টাস্ক ফোর্সের জন্য প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে আকাশ থেকে নজরদারি ব্যবস্থার বিষয়টি রয়েছে। এর জন্য হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং বন্দরগুলোতে নজরদারি টাওয়ার থাকবে। অবৈধ মাদক শনাক্ত করতে পারবে এমন কুকুরকে প্রশিক্ষণের জন্য কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সিকে (সিবিএসএ) তহবিল দিচ্ছে সরকার। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথগুলোর জন্য নতুন শনাক্তকরণ সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ট্রাম্পের হুমকির পর সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার কানাডার

আপডেট সময় ০৪:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর কানাডা তার উত্তর সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে। সীমান্তে উন্নত নজরদারি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় একটি যৌথ ‘স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠনের কথা ভাবছে ট্রুডো প্রশাসন।

গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কানাডা যদি অনিয়মিত অভিবাসী এবং অবৈধ মাদকের প্রবাহ বন্ধে সীমান্ত সুরক্ষিত না করে তাহলে ২০ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার পরই তাদের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

ট্রাম্পের এ ঘোষণার পর কানাডা ৯০৮ মিলিয়ন ডলারের একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘এরিয়াল ইন্টেলিজেন্স টাস্ক ফোর্স’ গঠন করা হচ্ছে। রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এই টাস্ক ফোর্স পরিচালনা করবে। এই ফোর্সের কাছে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং মোবাইল নজরদারি টাওয়ারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

মঙ্গলবার ট্রুডো প্রশাসনের নবনির্বাচিত অর্থ ও আন্তঃসরকার বিষয়ক মন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাং জানান, অবৈধ মাদক এবং অনিয়মিত অভিবাসনের প্রবাহ থেকে সীমান্ত সুরক্ষিত করতে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এগুলো একই সঙ্গে উত্তর আমেরিকার সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি-মানুষ ও পণ্যের মুক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করবে।

পরিকল্পনায় মাদক বাণিজ্য বন্ধ করা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জন্য নতুন সরঞ্জাম সরবরাহ, মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি, তথ্য বিনিময় বাড়ানো এবং সীমান্তে যানবাহনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।

টাস্ক ফোর্সের জন্য প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে আকাশ থেকে নজরদারি ব্যবস্থার বিষয়টি রয়েছে। এর জন্য হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং বন্দরগুলোতে নজরদারি টাওয়ার থাকবে। অবৈধ মাদক শনাক্ত করতে পারবে এমন কুকুরকে প্রশিক্ষণের জন্য কানাডা বর্ডার সার্ভিস এজেন্সিকে (সিবিএসএ) তহবিল দিচ্ছে সরকার। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ প্রবেশপথগুলোর জন্য নতুন শনাক্তকরণ সরঞ্জাম সরবরাহ করা হবে।