ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চট্টগ্রামে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে খুন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামে পরকীয়ার সন্দেহে নাসিমা আক্তারকে হত্যা করেছে তার স্বামী নাসির উদ্দিন (৪৮)। রোববার গভীর রাতে আনোয়ারা উপজেলার বারশত এলাকা থেকে পতেঙ্গা থানা পুলিশ ঘাতক নাসিরকে গ্রেফতার করে।

নাসির উদ্দিন উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তোতারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এর আগে রোববার গভীর রাতে নগরীর পতেঙ্গার বিজয়নগর এলাকার একটি বাসা থেকে নাসিরের স্ত্রী নাসিমা আক্তারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিজ বাসা থেকে নাসিমা আক্তারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয় স্বামী নাসিরই স্ত্রীর ঘাতক। এরপর থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযানে নামে। রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা। নাসিরের আগের স্ত্রীর ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। বছর দুয়েক আগে তিনি নাসিমাকে বিয়ে করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাসির পুলিশকে জানিয়েছেন, নাসিমার সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এছাড়া নাসিরের বিরুদ্ধে নগরীর বন্দর থানায় ডাকাতি ও আনোয়ারা থানায় মাদক মামলা আছে। নাসির মাদকাসক্ত ছিল। বেশির ভাগ সময় স্ত্রীর টাকায় মাদক সেবন করতেন তিনি।

গত ২ ডিসেম্বর রাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে নাসির তার স্ত্রী নাসিমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই নাসিমার মৃত্যু হয়। এরপর ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যান তিনি।

ডিসি (বন্দর) কবির আহম্মদ জানান, স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে নাসির নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বাসাটি ছিল খুব নির্জন এলাকায়। ওখানে মানুষের যাতায়াত কম। তাই কেউ বুঝতে পারেনি। লাশ উদ্ধারের পর আমরা তার স্বামীকে খুঁজছিলাম। পরে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে নাসিরকে তার বাড়ি আনোয়ারা থেকে গ্রেফতার করে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার

চট্টগ্রামে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে খুন

আপডেট সময় ০৯:১১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রামে পরকীয়ার সন্দেহে নাসিমা আক্তারকে হত্যা করেছে তার স্বামী নাসির উদ্দিন (৪৮)। রোববার গভীর রাতে আনোয়ারা উপজেলার বারশত এলাকা থেকে পতেঙ্গা থানা পুলিশ ঘাতক নাসিরকে গ্রেফতার করে।

নাসির উদ্দিন উপজেলার বারশত ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তোতারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এর আগে রোববার গভীর রাতে নগরীর পতেঙ্গার বিজয়নগর এলাকার একটি বাসা থেকে নাসিরের স্ত্রী নাসিমা আক্তারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিজ বাসা থেকে নাসিমা আক্তারের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয় স্বামী নাসিরই স্ত্রীর ঘাতক। এরপর থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযানে নামে। রোববার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নাসিরের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা। নাসিরের আগের স্ত্রীর ঘরে তিনটি সন্তান রয়েছে। বছর দুয়েক আগে তিনি নাসিমাকে বিয়ে করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাসির পুলিশকে জানিয়েছেন, নাসিমার সঙ্গে অন্য পুরুষের সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এছাড়া নাসিরের বিরুদ্ধে নগরীর বন্দর থানায় ডাকাতি ও আনোয়ারা থানায় মাদক মামলা আছে। নাসির মাদকাসক্ত ছিল। বেশির ভাগ সময় স্ত্রীর টাকায় মাদক সেবন করতেন তিনি।

গত ২ ডিসেম্বর রাতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে নাসির তার স্ত্রী নাসিমার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই নাসিমার মৃত্যু হয়। এরপর ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যান তিনি।

ডিসি (বন্দর) কবির আহম্মদ জানান, স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে নাসির নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বাসাটি ছিল খুব নির্জন এলাকায়। ওখানে মানুষের যাতায়াত কম। তাই কেউ বুঝতে পারেনি। লাশ উদ্ধারের পর আমরা তার স্বামীকে খুঁজছিলাম। পরে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে নাসিরকে তার বাড়ি আনোয়ারা থেকে গ্রেফতার করে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।