ঢাকা ১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইউক্রেন ইস্যুতে ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক : হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের সংঘাত দীর্ঘায়িত করার জন্য সম্প্রতি ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজার্তো। তিনি বলেন, এখন কিছু নেতা চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক।

সিজার্তো বুধবার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন কথা বলেন। এর আগে, মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।

সিজার্তো বলেন, গতকালের ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের বৈঠকে নৃশংস প্রস্তাব আনা হয়। মনে হচ্ছে, কিছু নেতা এখন চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক। ইউক্রেনে সৈনিক নিয়োগের বয়স কমানোর ওপর ন্যাটোর জোর দেওয়া বিভ্রান্তিকর এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মতে, ‘সেনা নিয়োগের বয়স কমানো, অস্ত্র পাঠানো বা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিবর্তে আমাদের উচিত শান্তি, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা বলা’।

এ সময়, ব্রাসেলসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক বুধবারও চলছে বলে জানান তিনি।

সংঘাত বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রয়োজনীয়তা –

সিজার্তো হাঙ্গেরি সরকারের পক্ষে বারবার শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলে আসছেন। তার ভাষ্য, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

ইউক্রেনের সংঘাতের বিষয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর এই নীতি নিয়ে সিজার্তোর মতো অনেকেই সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো তাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।

তা সত্ত্বেও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো এখনও ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে।

তবে সিজার্তোর মতে, এই সমর্থন শুধু সংঘাতকে দীর্ঘায়িতই করছে না, বরং শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইউক্রেন ইস্যুতে ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক : হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের সংঘাত দীর্ঘায়িত করার জন্য সম্প্রতি ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজার্তো। তিনি বলেন, এখন কিছু নেতা চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক।

সিজার্তো বুধবার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন কথা বলেন। এর আগে, মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।

সিজার্তো বলেন, গতকালের ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের বৈঠকে নৃশংস প্রস্তাব আনা হয়। মনে হচ্ছে, কিছু নেতা এখন চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক। ইউক্রেনে সৈনিক নিয়োগের বয়স কমানোর ওপর ন্যাটোর জোর দেওয়া বিভ্রান্তিকর এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মতে, ‘সেনা নিয়োগের বয়স কমানো, অস্ত্র পাঠানো বা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিবর্তে আমাদের উচিত শান্তি, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা বলা’।

এ সময়, ব্রাসেলসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক বুধবারও চলছে বলে জানান তিনি।

সংঘাত বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রয়োজনীয়তা –

সিজার্তো হাঙ্গেরি সরকারের পক্ষে বারবার শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলে আসছেন। তার ভাষ্য, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

ইউক্রেনের সংঘাতের বিষয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর এই নীতি নিয়ে সিজার্তোর মতো অনেকেই সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো তাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।

তা সত্ত্বেও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো এখনও ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে।

তবে সিজার্তোর মতে, এই সমর্থন শুধু সংঘাতকে দীর্ঘায়িতই করছে না, বরং শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।