ঢাকা ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেল স্বামী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

শেরপুরে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শান্তা নামে এক গৃহবধূর লাশ ফেলে পালিয়েছে তার স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকালে।

শান্তার (২৫) স্বামীর নাম নওশাদ আলম ওরফে মুরাদ। তিনি শেরপুরে এসিআই কোম্পানির মেডিকেল প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। নিহত শান্তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায়। তার বাবার নাম জুয়েল মিয়া বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, শুক্রবার বিকালে গৃহবধূ শান্তাকে তার স্বামী মুরাদ একটি রিকশাযোগে তার শহরের গরুহাটির ভাড়াবাসা থেকে শেরপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখতে পান রোগী মৃত। এ সময় উপস্থিত তার স্বামী মুরাদ অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

নিহত শান্তার সঙ্গে গত পাঁচ মাস আগে পারিবারিক ভাবে নওশাদের বিয়ে হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হুমায়ুন আহমেদ নুর জানান, নিহত গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালিয়ে গেল স্বামী

আপডেট সময় ১১:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

শেরপুরে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শান্তা নামে এক গৃহবধূর লাশ ফেলে পালিয়েছে তার স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকালে।

শান্তার (২৫) স্বামীর নাম নওশাদ আলম ওরফে মুরাদ। তিনি শেরপুরে এসিআই কোম্পানির মেডিকেল প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। নিহত শান্তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায়। তার বাবার নাম জুয়েল মিয়া বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, শুক্রবার বিকালে গৃহবধূ শান্তাকে তার স্বামী মুরাদ একটি রিকশাযোগে তার শহরের গরুহাটির ভাড়াবাসা থেকে শেরপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে দেখতে পান রোগী মৃত। এ সময় উপস্থিত তার স্বামী মুরাদ অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

নিহত শান্তার সঙ্গে গত পাঁচ মাস আগে পারিবারিক ভাবে নওশাদের বিয়ে হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) হুমায়ুন আহমেদ নুর জানান, নিহত গৃহবধূর গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।