ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নোবেল নয়, মানুষের ভালোবাসাই বড়: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে এসে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, নোবেল পুরস্কার নয়, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসাকেই বড় মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সফর শেষে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার লন্ডনের স্যাভয় হোটেলে নিজ দলের প্রবাসী নেতাদের সাক্ষাৎ দেন।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণার একদিন আগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে আলোচনার পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের প্রসঙ্গটিও আসে। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, নোবেল প্রসঙ্গে তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, সেটা কোনো বিষয় নয়।

তিনি বলেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় পাওয়া।

মিয়ানমারে নির্যাতিত ৫ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে এবারের নোবেল পুরস্কারের দাবিদার মনে করছেন তার দলের নেতা-কর্মীরা। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কথা দলের প্রবাসী নেতাদের বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তারা যতদিন থাকবে, বাংলাদেশের মানুষ ততদিন তাদের খাবার দাবারের ব্যবস্থা করবে।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনেও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার কথা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয় শেখ হাসিনার পিত্তথলির পাথর। কয়েকদিন বিশ্রাম নিয়ে গত সোমবার লন্ডন যান তিনি। অসুস্থতার কারণে ফেরার তারিখ পেছালেও ঢাকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি অনলাইনে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজও সারছেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বাংলাদেশে ফেরার আগে এর ফাঁকেই বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাৎ দেন তিনি। আলোচনায় পদ্মা সেতুর প্রসঙ্গটিও আসে বলে জানান সৈয়দ ফারুক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলার সময় আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, অনেকেই মনে করছিল, একাজ আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি, আমরাও পারি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রবাসী সবাইকে দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান সৈয়দ ফারুক।

প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার স্বাস্থ্যের খবরাখবর নেন এবং দ্রুত তার পূর্ণ সুস্ততা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান এম শরীফ, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, আবুল হাশেম, জালাল উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নোবেল নয়, মানুষের ভালোবাসাই বড়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে এসে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, নোবেল পুরস্কার নয়, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসাকেই বড় মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সফর শেষে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার লন্ডনের স্যাভয় হোটেলে নিজ দলের প্রবাসী নেতাদের সাক্ষাৎ দেন।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের ঘোষণার একদিন আগে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে আলোচনার পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের প্রসঙ্গটিও আসে। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, নোবেল প্রসঙ্গে তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, সেটা কোনো বিষয় নয়।

তিনি বলেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় পাওয়া।

মিয়ানমারে নির্যাতিত ৫ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে এবারের নোবেল পুরস্কারের দাবিদার মনে করছেন তার দলের নেতা-কর্মীরা। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কথা দলের প্রবাসী নেতাদের বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তারা যতদিন থাকবে, বাংলাদেশের মানুষ ততদিন তাদের খাবার দাবারের ব্যবস্থা করবে।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনেও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার কথা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয় শেখ হাসিনার পিত্তথলির পাথর। কয়েকদিন বিশ্রাম নিয়ে গত সোমবার লন্ডন যান তিনি। অসুস্থতার কারণে ফেরার তারিখ পেছালেও ঢাকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি অনলাইনে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজও সারছেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বাংলাদেশে ফেরার আগে এর ফাঁকেই বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাৎ দেন তিনি। আলোচনায় পদ্মা সেতুর প্রসঙ্গটিও আসে বলে জানান সৈয়দ ফারুক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলার সময় আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, অনেকেই মনে করছিল, একাজ আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি, আমরাও পারি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রবাসী সবাইকে দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান সৈয়দ ফারুক।

প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার স্বাস্থ্যের খবরাখবর নেন এবং দ্রুত তার পূর্ণ সুস্ততা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান এম শরীফ, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, আবুল হাশেম, জালাল উদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।