ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর : উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবে সারা দেশের স্মৃতিগুলো এখানে (গণভবন) জাদুঘরের বিভিন্ন জায়গায় স্মৃতি হিসেবে রাখা হবে। এছাড়া গত ১৬ বছরে যে নিপীড়নের স্মৃতি রয়েছে, আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন আয়নাঘরের একটা রেপ্লিকা করার কথা ভাবা হচ্ছে।’

‘সেই সকল নিপীড়নের চিহ্ন এবং বিজয়ের চিহ্ন এখানে জড়ো করা হবে। এখানে শুধু অনেকগুলো স্মৃতিকে ধারণ করা নয়, বরং আমাদের একটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে,’ বলেন নাহিদ।

শনিবার গণভবন পরিদর্শন শেষে তিনি- জাদুঘর রূপান্তর কাজের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পুরো বিষয়টা কমিটি দেখবে, টাইম লাইনের বিষয়টা তারা ঠিক করবে। তখন আপনারা জানতে পারবেন।

প্রবল গণআন্দোলন ও জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার মুহূর্তে গত ৫ আগস্ট হাজার হাজার বিক্ষোভকারী গণভবনে প্রবেশ করেন।

তারা গণভবনের দেয়াল ও কামরায় তাদের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়ে গ্রাফিতি আঁকেন এবং ‘খুনি হাসিনা’ সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লিখে রেখে যান। এখন সেই বাড়িটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপ দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন পরবর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘর হিসেবে রাখবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো আমাদের প্রত্যাশা থাকবে; জনগণেরও এটা একটা আকাঙ্ক্ষা। এটা যে জাদুঘর হবে- এটা রাজনৈতিক ঐক্যমত্যেই হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে এখন যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে, এই ক্ষেত্রে সবার ঐক্যমত আছে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তীতে যেই আসুক না কেন, এটা জনগণের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে থাকবে। সবাই এটাকে ধারণ করবে। এটার কার্যক্রম সবসময় চলমান থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর : উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০২:৩২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবে সারা দেশের স্মৃতিগুলো এখানে (গণভবন) জাদুঘরের বিভিন্ন জায়গায় স্মৃতি হিসেবে রাখা হবে। এছাড়া গত ১৬ বছরে যে নিপীড়নের স্মৃতি রয়েছে, আপনারা ইতোমধ্যে শুনেছেন আয়নাঘরের একটা রেপ্লিকা করার কথা ভাবা হচ্ছে।’

‘সেই সকল নিপীড়নের চিহ্ন এবং বিজয়ের চিহ্ন এখানে জড়ো করা হবে। এখানে শুধু অনেকগুলো স্মৃতিকে ধারণ করা নয়, বরং আমাদের একটি গবেষণার ক্ষেত্রও হতে পারে,’ বলেন নাহিদ।

শনিবার গণভবন পরিদর্শন শেষে তিনি- জাদুঘর রূপান্তর কাজের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, পুরো বিষয়টা কমিটি দেখবে, টাইম লাইনের বিষয়টা তারা ঠিক করবে। তখন আপনারা জানতে পারবেন।

প্রবল গণআন্দোলন ও জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার মুহূর্তে গত ৫ আগস্ট হাজার হাজার বিক্ষোভকারী গণভবনে প্রবেশ করেন।

তারা গণভবনের দেয়াল ও কামরায় তাদের ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়ে গ্রাফিতি আঁকেন এবং ‘খুনি হাসিনা’ সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লিখে রেখে যান। এখন সেই বাড়িটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপ দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন পরবর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘর হিসেবে রাখবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অবশ্যই, এটা তো আমাদের প্রত্যাশা থাকবে; জনগণেরও এটা একটা আকাঙ্ক্ষা। এটা যে জাদুঘর হবে- এটা রাজনৈতিক ঐক্যমত্যেই হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে এখন যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে, এই ক্ষেত্রে সবার ঐক্যমত আছে।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তীতে যেই আসুক না কেন, এটা জনগণের বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে থাকবে। সবাই এটাকে ধারণ করবে। এটার কার্যক্রম সবসময় চলমান থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।