ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফ্যাসিবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা অর্থহীন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

দেশে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সমূলে নির্মূল করার আগ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী।

বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কবে হবে— এ প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, এখনো দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের নির্মূল করা হয়নি। যতদিন পর্যন্ত দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ সমূলে নিশ্চিহ্ন না হবে ততদিন পর্যন্ত নির্বাচনের প্রশ্ন অপ্রাসঙ্গিক।

নাসির উদ্দিন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি আমাদের জাতীয় ঐক্যে না আসে তাহলে আমরা তাদের বাদ দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলে ফ্যসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে তার সমাধান করব। আমরা এখনো বঙ্গভবনে স্বৈরাচারদের দেখতে পাচ্ছি। আমরা দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণের জন্য বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিচ্ছি।

রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা চাই না কোনো গোলটেবিল বৈঠক। আমরা রাজপথে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়েছি। তাই কোনো রাজনৈতিক দল না আসলেও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংবিধান ও রাষ্ট্রপতির ইস্যুতে আমরা রাজপথে সমাধান করব।

সংবাদ সম্মেলনে ৭২ সালের মুজিববাদী সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলকে জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিতে আহ্বান জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, কোনো দল যদি বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বানে না আসে তাহলে সে দলকেও আমরা বয়কট করবো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে। আমরা বাহাত্তরের পচা-গলা সংবিধান মানবো না। বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট থাকবে দূর হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফ্যাসিবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা অর্থহীন

আপডেট সময় ১১:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

দেশে ফ্যাসিবাদের দোসরদের সমূলে নির্মূল করার আগ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী।

বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নির্বাচন কবে হবে— এ প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, এখনো দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের নির্মূল করা হয়নি। যতদিন পর্যন্ত দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ সমূলে নিশ্চিহ্ন না হবে ততদিন পর্যন্ত নির্বাচনের প্রশ্ন অপ্রাসঙ্গিক।

নাসির উদ্দিন বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি আমাদের জাতীয় ঐক্যে না আসে তাহলে আমরা তাদের বাদ দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলে ফ্যসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে তার সমাধান করব। আমরা এখনো বঙ্গভবনে স্বৈরাচারদের দেখতে পাচ্ছি। আমরা দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণের জন্য বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিচ্ছি।

রাষ্ট্রপতির অপসারণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা চাই না কোনো গোলটেবিল বৈঠক। আমরা রাজপথে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়েছি। তাই কোনো রাজনৈতিক দল না আসলেও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংবিধান ও রাষ্ট্রপতির ইস্যুতে আমরা রাজপথে সমাধান করব।

সংবাদ সম্মেলনে ৭২ সালের মুজিববাদী সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলকে জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিতে আহ্বান জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, কোনো দল যদি বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বানে না আসে তাহলে সে দলকেও আমরা বয়কট করবো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে। আমরা বাহাত্তরের পচা-গলা সংবিধান মানবো না। বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট থাকবে দূর হবে না।