অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বাগেরহাটে দুই ইউপি সদস্যকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিবাদ মিমাংসা করতে গিয়ে উল্টো দুই ইউপি সদস্য হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
জানা যায়, সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের শাহজাহান হাওলাদারের নবজাতক ভুল চিকিৎসায় মার যায় বলে একটি মামলা দায়ের করে। পরে সে ভুল বুঝতে পেরে মামলা প্রত্যাহারের জন্য স্থানীয় ২ ইউপি সদস্যের সহায়তা নেয় এবং বাগেরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদাতের আবেদন করে। ২ বার মামলা প্রত্যাহারের জন্য আদালতে সাক্ষী দেবার পরও শেষ পর্যায়ে মামলা প্রতাহার করতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং ২ ইউপি সদস্যর নামে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করে।
ফকিরহাট পিলজং ইউপি সদস্য আরিফুল মল্লিক বলেন, শাহজাহান ভুলবুঝে মামলা করেছে তা বুঝতে পেরে আমার কাছে আসলে পার্শবর্তী রাখালগাছী ইনিয়নের সাবকে সদস্যর দেলোয়ার হাসান দিলু মধ্যস্ততায় বাগেরহাট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদাতের কাছে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করে। কিন্তু সে এখন মোটা অংকের টাকা দাবি করে অন্যথায় পুণরায় মামলা চালু করার হুমকি দেয় বলে জানতে পারি। শাহজাহানকে এমন কাজ করতে নিষেধ করায় টাকার লোভে সে আমাদের নামে মিথ্যা পুলিশে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। কারো অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু হলে তার সুষ্ঠ বিচার হোক, তবে অন্যায় ভাবে কাউকে হেনস্ত করা ঠিক নয়।
রাখালগাছী ইনিয়নের সাবেক সদস্যর দেলোয়ার হসোন দিলু বলেন, শাহজাহান মামলা প্রত্যাহারের জন্য এফিডেবিটের মাধ্যমে আদালতে আবেদন করে। এবং আদালতে ২ বার সাক্ষ দেওয়ার পরও টাকার লোভে এখন সে আদালতের দেওয়া কথাকে ভুলে গেছে। আদালত অবমাননা করছে সে। এলাকার সাবেক মেম্বার হিসাবে যে কোন সমস্যা সমানে মানুষ আমার কাছে আসে। শাহজাহান তার ভুল বুঝতে পেরে আমার কাছে আসে এবং আমি মধ্যস্ততা থেকে বিষয়টি আইনি ভাবে সমাধানে চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে এখন আমাকেই অভিযুক্ত করছে। প্রশাসনের কাছে বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধানের আশা করছি।
এ বিষয়ে শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ক্লিনিক কতৃপক্ষের অবহেলায় আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি। আমি শুধুমাত্র এই অন্যায়ের বিচার চাই। বাগেরহাটে চুলকাঠি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অসিত কুমার রায় বলেন, শাহজাহান হাওলাদার দুই ইউপি সদস্যের নামে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষটি আমাকে তদন্ত করতে বলা হয়। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























