অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
খলেদা জিয়ার দেশে ফেরা নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কথা বলায় যেন অনীহা। ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি তিনি দেশে ফিরতে পারেন এমনটা বলা হয়েছিল দলের শীর্ষ মহল থেকে। স্পষ্ট করে কেউ বলছেন না কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন তিনি।
বেগম খালেদা জিয়া চোখ ও হাঁটুর চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান। এর কিছুদিন পর তার চোখের অস্ত্রোপচার হয়। চোখের চিকিৎসা মোটামুটি সফলভাবে শেষ হলেও এখনো তার হাঁটুর চিকিৎসা শেষ হয়নি বলে জানা গেছে।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘চিকিৎসা শেষ হলেই তিনি দেশে ফিরবেন। চেয়ারপারসনের দেশে ফেরা পুরোটাই নির্ভর করছে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তের ওপর।’ দেশে ফেরা ব্যপারে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন কিছু বলার নেই।’
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় একজন সহ-সম্পাদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কেউ ঠিক করে বলতে পারছেন না ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) কবে দেশে ফিরবেন। একদিকে তার সুস্থতা নিয়ে আশাবাদী, অন্যদিকে তার দেশে ফেরা নিয়ে টেনশনে আছি।’
এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সব দেশের রাষ্ট্রদূত, ইসলামি সম্মেলন সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সব দেশের কূটনীতিকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠিতে তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমারের বর্বরোচিত গণহত্যা ও নির্যাতনের বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে এর বিচার দাবিসহ বাসস্থানচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়েছেন।
এদিকে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সফরে আসার কথা রয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের। সুষমা স্বরাজের সঙ্গে তার একান্ত বৈঠকেরও একটি শিডিউল রয়েছে বলে জানা গেছে। এই বৈঠক উপলক্ষে খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন কি না সেটাও বলতে পারছেন না কেউ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 












