ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মুসলমানদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে: স্পিকার ঈদের নামাজ শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ত্যাগের মহিমায় সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত আমেরিকায় ঈদুল আজহা উদযাপিত, বাংলাদেশিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন জোহরান মামদানি নাহিদ-আসিফ-মাহফুজ নতুন বন্দোবস্ত তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে: ফরহাদ মজহার ১ জুন থেকে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু হবে: আইনমন্ত্রী ম্যাচ ফিক্সিংকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পরিণত করতে চায় বিসিবি

শোক দিবসের দাওয়াত না পেয়ে আ.লীগ নেতাকে মারধর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শোক দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক ভোলা মাস্টারের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, শোক দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ফরিদপুর সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলামকে মারধর করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক ভোলা মাস্টার। পরে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।

হামলার শিকার হওয়া চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম জানান, শোক দিবসের আয়োজন সম্পন্ন করতে বেলা ১১টার দিকে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক মঞ্চ তৈরিতে বাঁধা দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কিল-ঘুষি দেওয়া শুরু করেন। অনুষ্ঠানে তাকে সভাপতি না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এই হামলা করেছেন বলেও জানান নজরুল ইসলাম।

অপরদিকে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, সভাপতি হিসেবে নিরাপত্তাজনিত কারণে স্কুলের সামনের মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু স্কুলের এরিয়ার ভেতরে মঞ্চ তৈরির চেষ্টা করলে মৌখিকভাবে নিষেধ করা হয়। বার বার বলা সত্ত্বেও নিষেধ না মানায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অনুষ্ঠানে তাকে সভাপতি না করায় মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন শামসুল হক।

এদিকে ঘটনার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ জলিল বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই নেতার মধ্যে আভ্যন্তরীণ কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

শোক দিবসের দাওয়াত না পেয়ে আ.লীগ নেতাকে মারধর

আপডেট সময় ০৬:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শোক দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক ভোলা মাস্টারের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, শোক দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ফরিদপুর সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলামকে মারধর করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক ভোলা মাস্টার। পরে এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।

হামলার শিকার হওয়া চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম জানান, শোক দিবসের আয়োজন সম্পন্ন করতে বেলা ১১টার দিকে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এ সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক মঞ্চ তৈরিতে বাঁধা দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে কিল-ঘুষি দেওয়া শুরু করেন। অনুষ্ঠানে তাকে সভাপতি না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এই হামলা করেছেন বলেও জানান নজরুল ইসলাম।

অপরদিকে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল হক মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, সভাপতি হিসেবে নিরাপত্তাজনিত কারণে স্কুলের সামনের মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু স্কুলের এরিয়ার ভেতরে মঞ্চ তৈরির চেষ্টা করলে মৌখিকভাবে নিষেধ করা হয়। বার বার বলা সত্ত্বেও নিষেধ না মানায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে অনুষ্ঠানে তাকে সভাপতি না করায় মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন শামসুল হক।

এদিকে ঘটনার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ জলিল বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই নেতার মধ্যে আভ্যন্তরীণ কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি বলেও জানান তিনি।