ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দাম বাড়ার পর কমেছে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন বিক্রি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে। বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের বিক্রি বেশ কমে গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে গত জুলাই মাসে গড়ে দৈনিক অকটেন বিক্রি হতো এক হাজার ৩০৯ টন। গত ৫ আগস্ট তেলের দাম বাড়ার পর বিক্রির পরিমাণ নেমে এসেছে এক হাজার ১৮৫ টনে।

পেট্রোল দৈনিক গড়ে বিক্রি হতো এক হাজার ৩০০ টন, দাম বাড়ার পর দৈনিক গড়ে বিক্রি নেমে এসেছে ৮০০ টনে। গত জুলাই মাসে গড়ে দৈনিক ডিজেল বিক্রি হয়েছিল ১৩ হাজার ৬০০ টন। দাম বাড়ার পর গড়ে দৈনিক ডিজেল বিক্রি হয় ১৩ হাজার ২০০ টন।

বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ভোক্তাদের মধ্যে কেউ কেউ সঙ্কুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বা অটোগ্যাসের ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে এবং পেট্রোল ও অকটেনের বিক্রি কমেছে বলে মনে করছেন জ্বালানি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সিএনজি ও এলপিজি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অকটেনের তুলনায় সাশ্রয়ী হওয়ার কারণে গাড়ির মালিকদের ঝোঁক এখন সিএনজি এবং এলপিজিতে।

এ বিষয়ে রাজধানীর মিরপুর সিরামিক সিএনজি ও এলপিজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আমির হোসেন বলেন, বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল ছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ গাড়িতেই জ্বালানি তেলের পাশাপাশি সিএনজি ও এলপিজি কনভারসন (রূপান্তর) করা আছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেকেই এখন সিএনজি ও এলপিজি ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যে কারণে পেট্রোল ও অকটেনের বিক্রি কিছুটা কমছে।

মিরপুর কালশী এলাকায় সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ও অকটেনের পাশাপাশি এলপিজি বিক্রি করা হয়। এ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আমির মোহাম্মদ বলেন, দাম বাড়ার পর থেকে অকটেন ও ডিজেল বিক্রি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে সিএনজি ও এলপিজির ব্যবহার কিছুটা বেড়েছে।

বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বন্টন ও বিপণন) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ জ্বালানি তেলের বাম বাড়ার ফলে বিক্রি কিছুটা কমেছে বলে বাংলানিউজকে জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে জেনে অনেকের মজুদ করার একটা প্রবণতা ছিল। দাম বেড়ে যাওয়ার পর, তাদের আগের জ্বালানি তেলের মজুদ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। তাদের মজুদ শেষ হলে আগের চাহিদাই বিরাজ করবে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবহার কমেছে বিষয়টা তেমন নয়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভারসন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নুর এ বিষয়ে বাংলানিউজকে বলেন, সিএনজির ব্যবহার এখন সামান্য বেড়েছে। যারা গাড়িতে ডুয়েল-ফুয়েল ব্যবহার করে, তারা দাম বাড়ার ফলে তেলের ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে গ্যাসের ব্যবহার বাড়িয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দাম বাড়ার পর কমেছে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন বিক্রি

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে ৪২ থেকে ৫২ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে। বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের বিক্রি বেশ কমে গেছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্য মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে গত জুলাই মাসে গড়ে দৈনিক অকটেন বিক্রি হতো এক হাজার ৩০৯ টন। গত ৫ আগস্ট তেলের দাম বাড়ার পর বিক্রির পরিমাণ নেমে এসেছে এক হাজার ১৮৫ টনে।

পেট্রোল দৈনিক গড়ে বিক্রি হতো এক হাজার ৩০০ টন, দাম বাড়ার পর দৈনিক গড়ে বিক্রি নেমে এসেছে ৮০০ টনে। গত জুলাই মাসে গড়ে দৈনিক ডিজেল বিক্রি হয়েছিল ১৩ হাজার ৬০০ টন। দাম বাড়ার পর গড়ে দৈনিক ডিজেল বিক্রি হয় ১৩ হাজার ২০০ টন।

বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ভোক্তাদের মধ্যে কেউ কেউ সঙ্কুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বা অটোগ্যাসের ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে এবং পেট্রোল ও অকটেনের বিক্রি কমেছে বলে মনে করছেন জ্বালানি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সিএনজি ও এলপিজি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অকটেনের তুলনায় সাশ্রয়ী হওয়ার কারণে গাড়ির মালিকদের ঝোঁক এখন সিএনজি এবং এলপিজিতে।

এ বিষয়ে রাজধানীর মিরপুর সিরামিক সিএনজি ও এলপিজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আমির হোসেন বলেন, বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল ছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ গাড়িতেই জ্বালানি তেলের পাশাপাশি সিএনজি ও এলপিজি কনভারসন (রূপান্তর) করা আছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অনেকেই এখন সিএনজি ও এলপিজি ব্যবহার করতে শুরু করেছে, যে কারণে পেট্রোল ও অকটেনের বিক্রি কিছুটা কমছে।

মিরপুর কালশী এলাকায় সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ও অকটেনের পাশাপাশি এলপিজি বিক্রি করা হয়। এ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আমির মোহাম্মদ বলেন, দাম বাড়ার পর থেকে অকটেন ও ডিজেল বিক্রি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে সিএনজি ও এলপিজির ব্যবহার কিছুটা বেড়েছে।

বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বন্টন ও বিপণন) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ জ্বালানি তেলের বাম বাড়ার ফলে বিক্রি কিছুটা কমেছে বলে বাংলানিউজকে জানান। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে জেনে অনেকের মজুদ করার একটা প্রবণতা ছিল। দাম বেড়ে যাওয়ার পর, তাদের আগের জ্বালানি তেলের মজুদ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। তাদের মজুদ শেষ হলে আগের চাহিদাই বিরাজ করবে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবহার কমেছে বিষয়টা তেমন নয়।

বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভারসন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নুর এ বিষয়ে বাংলানিউজকে বলেন, সিএনজির ব্যবহার এখন সামান্য বেড়েছে। যারা গাড়িতে ডুয়েল-ফুয়েল ব্যবহার করে, তারা দাম বাড়ার ফলে তেলের ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে গ্যাসের ব্যবহার বাড়িয়েছে।