ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

বাংলাদেশের নারী ফুটবলারকে শচীন বললেন, ‘তুমি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

১৪ আগস্টআ ইউনিসেফের উদ্যোগে ভার্চুয়াল ওই সংলাপে মারিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শচীন। মারিয়াকে উদ্দেশ্য করে এ ভারতীয় কিংবদন্তি বলেছেন, ‘তুমি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন’।

আলাপের শুরুটা হয় সৌজন্যমূলক বার্তা দিয়ে। শচীনই প্রথম বলেন, ‘কেমন আছ মারিয়া?’ মারিয়ার সহাস্য জবাব, ‘আমি ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন?’শচীনও হেসে জবাব দেন, ‘ভালো, আমি ভালো আছি।’

এর পর চাপ সামলে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে কীভাবে মাঠের লড়াই চালিয়ে নিয়ে যেতে হয়, মারিয়াকে সে উপায় বাতলে দেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১০০ সেঞ্চুরির মালিক। তিনি বলেন, ‘অতীত ভুলে বর্তমানে জোর দাও।’

এর পর করোনাকালে কীভাবে নিজেকে ফিট রেখেছেন মারিয়া, তা জানতে চান শচীন। মারিয়া বলেন, ‘আমরা বাড়ি চলে গিয়েছিলাম আর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া সূচি মেনে অনুশীলন করেছি।’ খেলা নিয়ে শচীনের সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ আলাপচারিতা চলে। এর পর সবাইকে ধন্যবাদ জানান শচীন।

উল্লেখ্য, ইউনিসেফের উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। সেই সংলাপের ভিডিও ব্যক্তিগত ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন মারিয়া।

ক্যাপশনে বাংলাদেশের এ নারী ফুটবলার লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে ইউনিসেফ দক্ষিণ এশিয়ার শুভেচ্ছা দূত এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করা সাবেক ক্রিকেট তারকা শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে আমার এবং আংশুর ইউনিসেফের মাধ্যমে কথা বলার সু্যোগ হয়েছিল। আমাদের উনি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ইউনিসেফ। এত বড় সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ নারী ফুটবলের অন্যতম তারকা মারিয়া মান্ডা। ২০১১ সালে ফুটবলে হাতেখড়ি হয় মারিয়ার। ২০১৩ সালে ধোবাউড়ার বিখ্যাত কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের সদস্য তিনি। ২০১৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলে ডাক পান মারিয়া। তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে তার সহ-অধিনায়কত্বেই চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন দলের সহ-অধিনায়কও মারিয়া। এর পর জায়গা করে নেন মূল জাতীয় দলে। শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত সাফ বাংলাদেশের রানার্সআপ হওয়ার পেছনে ছোট মারিয়ার অবদান কম নয়। যার ফলে অনূর্ধ্ব-১৫ সাফে তার বাহুতেই বেঁধে দেওয়া হয় বাংলাদেশের আর্মব্যান্ড।

তার নেতৃত্বেই ভারতকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

বাংলাদেশের নারী ফুটবলারকে শচীন বললেন, ‘তুমি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন’

আপডেট সময় ০৮:৩৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২২

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

১৪ আগস্টআ ইউনিসেফের উদ্যোগে ভার্চুয়াল ওই সংলাপে মারিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শচীন। মারিয়াকে উদ্দেশ্য করে এ ভারতীয় কিংবদন্তি বলেছেন, ‘তুমি সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন’।

আলাপের শুরুটা হয় সৌজন্যমূলক বার্তা দিয়ে। শচীনই প্রথম বলেন, ‘কেমন আছ মারিয়া?’ মারিয়ার সহাস্য জবাব, ‘আমি ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন?’শচীনও হেসে জবাব দেন, ‘ভালো, আমি ভালো আছি।’

এর পর চাপ সামলে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে কীভাবে মাঠের লড়াই চালিয়ে নিয়ে যেতে হয়, মারিয়াকে সে উপায় বাতলে দেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১০০ সেঞ্চুরির মালিক। তিনি বলেন, ‘অতীত ভুলে বর্তমানে জোর দাও।’

এর পর করোনাকালে কীভাবে নিজেকে ফিট রেখেছেন মারিয়া, তা জানতে চান শচীন। মারিয়া বলেন, ‘আমরা বাড়ি চলে গিয়েছিলাম আর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া সূচি মেনে অনুশীলন করেছি।’ খেলা নিয়ে শচীনের সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ আলাপচারিতা চলে। এর পর সবাইকে ধন্যবাদ জানান শচীন।

উল্লেখ্য, ইউনিসেফের উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। সেই সংলাপের ভিডিও ব্যক্তিগত ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন মারিয়া।

ক্যাপশনে বাংলাদেশের এ নারী ফুটবলার লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে ইউনিসেফ দক্ষিণ এশিয়ার শুভেচ্ছা দূত এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করা সাবেক ক্রিকেট তারকা শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে আমার এবং আংশুর ইউনিসেফের মাধ্যমে কথা বলার সু্যোগ হয়েছিল। আমাদের উনি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ইউনিসেফ। এত বড় সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ নারী ফুটবলের অন্যতম তারকা মারিয়া মান্ডা। ২০১১ সালে ফুটবলে হাতেখড়ি হয় মারিয়ার। ২০১৩ সালে ধোবাউড়ার বিখ্যাত কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের সদস্য তিনি। ২০১৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলে ডাক পান মারিয়া। তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে তার সহ-অধিনায়কত্বেই চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন দলের সহ-অধিনায়কও মারিয়া। এর পর জায়গা করে নেন মূল জাতীয় দলে। শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত সাফ বাংলাদেশের রানার্সআপ হওয়ার পেছনে ছোট মারিয়ার অবদান কম নয়। যার ফলে অনূর্ধ্ব-১৫ সাফে তার বাহুতেই বেঁধে দেওয়া হয় বাংলাদেশের আর্মব্যান্ড।

তার নেতৃত্বেই ভারতকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল।