অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
স্বামীকে হত্যার অভিযোগে বানু আকতার নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার তিনদিন পর মেঝেতে পুঁতে রাখা লাশ থেকে পঁচা গন্ধ বের হলে বানু আক্তার নিজেই এলাকাবাসীকে ডেকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায়।
পরে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। তবে কী কারণে স্বামী জাকির হোসেন বিপুকে (৪০) হত্যা করেছে সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানায়নি বানু আক্তার। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ (শজিমেক) হাসাপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হত্যায় দায় স্বীকার করে বানু আকতার পুলিশকে বলেন, বুধবার রাতের খাবার শেষে নেশাগ্রস্ত জাকির যখন ঘুমিয়ে পড়েন, তখর বানু আকতার ইসুবগুলের শরবতের সাথে পাঁচ/ছয়টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে জাকিরকে ঘুম থেকে ডেকে পান করান। জাকিরের আগে থেকেই ঘুমের ওষুধ ও ইসুবগুলের শরবত খাওয়ার অভ্যাস ছিল।
রাত একটায় ঘুমে অচেতন স্বামীকে লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করেন। এরপর জাকিরের গলায় ফাঁস লাগিয়ে নাক-মুখ চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে ঐ ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখে দুই বছরের সন্তানকে নিয়ে পাশের ঘরে থাকতে শুরু করেন। তৃতীয় দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘর থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে তিনি নিজেই গ্রামের লোকজনকে একথা জানান।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় নয় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। গাবতলী মডেল থানার ওসি খায়রুল বাসার জানান, জাকিরের মা জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে পুত্রবধূ বানু আকতারসহ পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























