ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: অন্তঃসত্ত্বা ৫ম শ্রেণির ছাত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রী সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন ওই স্কুলছাত্রীর মা।

বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কালিগঞ্জ থানাকে এফআইআর হিসেবে নথিভুক্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে ধর্ষক সোহাগ হোসেন বাবু। সে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চাঁচাই গ্রামের ছবিলার রহমানের ছেলে এবং কুশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদেশ ফেরত সোহাগ হোসেন বাবু তাদের প্রতিবেশী। সে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরও সোহাগ তাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এক পর্যায়ে দিনমজুর বাবা-মা কাজের জন্য বাইরে গেলে বিয়ের প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে ওই স্কুলছাত্রীকে সে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিল। এতে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে তাকে হত্যার হুমকি দেয় সোহাগ। এভাবে কালক্ষেপণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানতে পারে। ঘটনাটি বাবা-মাকে খুলে বললে আলট্রাসনোগ্রাফিতে ২৮ সপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি স্পষ্ট হয় ভিকটিমের।

পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সোহাগের বাবা ছবিলার রহমান গ্রাম্য মাতব্বর সুরত আলী, নাসির, রেজাউল মোল্লাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে কৌশলে ওই স্কুলছাত্রীর পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দিয়ে ব্যর্থ হয়। এখন স্কুলছাত্রীর বাব-মাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে সোহাগ হোসেন বাবু।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে গত ৭ ডিসেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোহাগ হোসেন বাবুকে আসামি করে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলাটি এফআইআর হিসেবে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, আদালত থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: অন্তঃসত্ত্বা ৫ম শ্রেণির ছাত্রী

আপডেট সময় ১০:৩৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রী সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন ওই স্কুলছাত্রীর মা।

বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কালিগঞ্জ থানাকে এফআইআর হিসেবে নথিভুক্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে ধর্ষক সোহাগ হোসেন বাবু। সে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চাঁচাই গ্রামের ছবিলার রহমানের ছেলে এবং কুশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদেশ ফেরত সোহাগ হোসেন বাবু তাদের প্রতিবেশী। সে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরও সোহাগ তাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। এক পর্যায়ে দিনমজুর বাবা-মা কাজের জন্য বাইরে গেলে বিয়ের প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে ওই স্কুলছাত্রীকে সে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিল। এতে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে তাকে হত্যার হুমকি দেয় সোহাগ। এভাবে কালক্ষেপণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানতে পারে। ঘটনাটি বাবা-মাকে খুলে বললে আলট্রাসনোগ্রাফিতে ২৮ সপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি স্পষ্ট হয় ভিকটিমের।

পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সোহাগের বাবা ছবিলার রহমান গ্রাম্য মাতব্বর সুরত আলী, নাসির, রেজাউল মোল্লাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে কৌশলে ওই স্কুলছাত্রীর পেটের বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দিয়ে ব্যর্থ হয়। এখন স্কুলছাত্রীর বাব-মাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে সোহাগ হোসেন বাবু।

বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে গত ৭ ডিসেম্বর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোহাগ হোসেন বাবুকে আসামি করে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালত কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলাটি এফআইআর হিসেবে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, আদালত থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।