ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাউজানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাউজানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর দাবি করেছেন নবাব সৈয়দ মাহদী মর্তুজা আলী উদ্দৌলা খাঁ নামে এক ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে বিষয়টি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।

দূরদূরান্ত থেকে রাউজান পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডস্থ রাজুর কলোনিতে অনেকেই দেখতে আসছেন তাকে। পরণের পোশাক, সাজসজ্জা এবং তলোয়ারসহ নানা ধরনের প্রমাণ নিয়ে তিনি দাবি করেছেন, তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার ১১তম বংশধর। এসব পোশাক এবং সরঞ্জাম বংশপরম্পরায় সংরক্ষণ করেছেন তার পূর্বপুরুষরা। ফারসি ভাষায় লিখিত এক চিরকুটে তার বংশগত তালিকা রয়েছে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পর্যন্ত, যা তার বাবা সৈয়দ হাফেজ আবদুল্লাহ আলী আকবর উদ্দৌলা খাঁ বাংলায় অনুবাদ করেছেন বলে তিনি জানান।

তবে এ বিষয়টি এখনো শুধু তিনিই দাবি করছেন। তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বর্তমানে তিনি পরিবারসহ না খেয়ে আর্থিক অনটনে দিনাতিপাত করছেন। তার চাওয়া শুধু স্বীকৃতি এবং খেয়েপরে বেঁচে থাকার মতো পুনর্বাসন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামের বুকে বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনসহ বহুগুণীর জন্ম ও বসবাস ছিল, বসবাস সূত্রে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর থাকাটাও অস্বাভাবিক বা অস্বীকার করার মতো নয়। তবে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দেখা উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর!

আপডেট সময় ০৬:০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাউজানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর দাবি করেছেন নবাব সৈয়দ মাহদী মর্তুজা আলী উদ্দৌলা খাঁ নামে এক ব্যক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে বিষয়টি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।

দূরদূরান্ত থেকে রাউজান পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডস্থ রাজুর কলোনিতে অনেকেই দেখতে আসছেন তাকে। পরণের পোশাক, সাজসজ্জা এবং তলোয়ারসহ নানা ধরনের প্রমাণ নিয়ে তিনি দাবি করেছেন, তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলার ১১তম বংশধর। এসব পোশাক এবং সরঞ্জাম বংশপরম্পরায় সংরক্ষণ করেছেন তার পূর্বপুরুষরা। ফারসি ভাষায় লিখিত এক চিরকুটে তার বংশগত তালিকা রয়েছে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পর্যন্ত, যা তার বাবা সৈয়দ হাফেজ আবদুল্লাহ আলী আকবর উদ্দৌলা খাঁ বাংলায় অনুবাদ করেছেন বলে তিনি জানান।

তবে এ বিষয়টি এখনো শুধু তিনিই দাবি করছেন। তিনি গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বর্তমানে তিনি পরিবারসহ না খেয়ে আর্থিক অনটনে দিনাতিপাত করছেন। তার চাওয়া শুধু স্বীকৃতি এবং খেয়েপরে বেঁচে থাকার মতো পুনর্বাসন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামের বুকে বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনসহ বহুগুণীর জন্ম ও বসবাস ছিল, বসবাস সূত্রে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বংশধর থাকাটাও অস্বাভাবিক বা অস্বীকার করার মতো নয়। তবে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে দেখা উচিত।