ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মৃত্যু ঝুঁকিতে ১৪,০০০ রোহিঙ্গা শিশু: ইউনিসেফ

আপডেট সময় ১১:০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন-রক্ষাকারী সহায়তা একটি কৌশলগত এবং সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে প্রদান করা না হলে অপুষ্টি, কলেরা ও হামের মত রোগ মৃত্যুর হাতছানি দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদন এ কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, হতাশা-চালিত দাঙ্গা ও বর্ধিত মাত্রার যৌন নিপীড়ন এবং লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার এই সঙ্কট একটি বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ফিরে ইউনিসেফের অস্ট্রেলিয়ান সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার অলিভার হোয়াইট বলেন, ‘এই প্রয়োজনটি স্বাভাবিকভাবেই বিশাল। সেখানে ১৪,৪২০ জন শিশুকে গুরুতর ও তীব্র অপুষ্টির শিকার হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। তাদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, আশ্রয় নেয়া শিশুদের মধ্য ১ লাখ ৫৪ হাজারেরও বেশি শিশুর বয়স ৫ বছরের নিচে এবং প্রায় ৫৫ হাজার নারী গর্ভবতী। গর্ভবতী ও দুগ্ধপ্রদানকারী এসব নারীদের সঠিক চিকিৎসা ও অপুষ্টি প্রতিরোধ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর জন্য পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন। এটি একটি হতাশাজনক অবস্থা; যা অবিলম্বে পূরণ করা না হলে তা কষ্টের মাত্রাকে দ্রুতগতিতে চরমপর্যায়ে নিয়ে যাবে এবং রোগের সম্ভাব্য হুমকি এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা একত্রিত হলে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।’

হোয়াইট বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। মাত্র এক মাসে ২ লাখ ৪০ হাজার শিশুসহ অভূতপূর্ব সংখ্যক লোক এসেছে। তারা সহিংস সামাজিক-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে পালিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এসেছে। একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশটি (বাংলাদেশ) ইতোমধ্যেই তার সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য সংগ্রাম করছে এবং এটা মৌসুমী ঋতু। একই সময়ে বিপুল সংখ্যাক শরণার্থীদের আগমনের ঢল সাহায্য বিতরণের বিশাল কৌশলগত চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করেছে।