ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

প্রমাণ পেলেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সাবেক কর্মীর ফাঁস করা তথ্য দেখা গেছে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের নিরাপত্তার বদলে ব্যবসায়িক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছে। এ ছাড়াও গ্রাহকদের প্রতি ফেসবুকের আন্তরিকতার অভাব, নীতিমালার ব্যত্যয়, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। এ ছাড়া মুনাফা ধরে রাখতে সংস্থাটি শিশু ও কিশোর বয়সিদের মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করে।

এহেন পরিস্থিতিতে যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের তথ্য কমিশনার এলিজাবেথ ডেনহ্যাম। ফেসবুক ব্রিটিশ আইন লঙ্ঘন করছে কি না, সেটি যাচাই করতে প্রতিষ্ঠানটির আলোচিত সাবেক কর্মী ও তথ্য ফাঁসকারী ফ্রান্সেস হাউগেনের কাছে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠিও লিখেছেন তিনি। ফ্রান্সেস হাউগেনের হাতে থাকা ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথিপত্র ও গবেষণা প্রতিবেদন যুক্তরাজ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে এলিজাবেথ ডেনহ্যাম বিশ্লেষণ করে দেখতে চান বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

যদিও এর আগে অভিযোগগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ফেসবুক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। ‘প্রতিষ্ঠানটির যে মিথ্যা চিত্রায়ণ করা হচ্ছে তার সঙ্গে আমাদের বেশিরভাগ পরিচিত নয়’- দাবি করেন তিনি।

তবে, ডেনহ্যাম বলেছেন, ‘ফ্রান্সেসের সাক্ষ্য থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্যের ওপর আমরা ঘনিষ্ঠ নজর রাখছি-অভিযোগগুলোর সম্পূর্ণ প্রতিবেদনে প্রবেশাধিকার চেয়ে তার কাছে চিঠি লিখেছি আমি।’ ‘যুক্তরাজ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে তার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখতে চাই আমি ওই ক্ষতিকর প্রভাবগুলো কী যুক্তরাজ্যের ওপরও পড়ছে, বিশেষ করে শিশুদের ওপর?’ ফ্রান্সেস হাউগেন যে অভিযোগ তুলেছেন তার মধ্যে যে দুটি অভিযোগ রাজনীতিবিদদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম সেবা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে এবং সামাজিক বিভক্তি বাড়িয়ে গণতন্ত্রকে দুর্বল করে ফেসবুকের অ্যালগরিদম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রমাণ পেলেই ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক :

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সাবেক কর্মীর ফাঁস করা তথ্য দেখা গেছে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের নিরাপত্তার বদলে ব্যবসায়িক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছে। এ ছাড়াও গ্রাহকদের প্রতি ফেসবুকের আন্তরিকতার অভাব, নীতিমালার ব্যত্যয়, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। এ ছাড়া মুনাফা ধরে রাখতে সংস্থাটি শিশু ও কিশোর বয়সিদের মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করে।

এহেন পরিস্থিতিতে যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের তথ্য কমিশনার এলিজাবেথ ডেনহ্যাম। ফেসবুক ব্রিটিশ আইন লঙ্ঘন করছে কি না, সেটি যাচাই করতে প্রতিষ্ঠানটির আলোচিত সাবেক কর্মী ও তথ্য ফাঁসকারী ফ্রান্সেস হাউগেনের কাছে তথ্য-উপাত্ত চেয়ে চিঠিও লিখেছেন তিনি। ফ্রান্সেস হাউগেনের হাতে থাকা ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথিপত্র ও গবেষণা প্রতিবেদন যুক্তরাজ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে এলিজাবেথ ডেনহ্যাম বিশ্লেষণ করে দেখতে চান বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

যদিও এর আগে অভিযোগগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ফেসবুক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। ‘প্রতিষ্ঠানটির যে মিথ্যা চিত্রায়ণ করা হচ্ছে তার সঙ্গে আমাদের বেশিরভাগ পরিচিত নয়’- দাবি করেন তিনি।

তবে, ডেনহ্যাম বলেছেন, ‘ফ্রান্সেসের সাক্ষ্য থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্যের ওপর আমরা ঘনিষ্ঠ নজর রাখছি-অভিযোগগুলোর সম্পূর্ণ প্রতিবেদনে প্রবেশাধিকার চেয়ে তার কাছে চিঠি লিখেছি আমি।’ ‘যুক্তরাজ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে তার তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখতে চাই আমি ওই ক্ষতিকর প্রভাবগুলো কী যুক্তরাজ্যের ওপরও পড়ছে, বিশেষ করে শিশুদের ওপর?’ ফ্রান্সেস হাউগেন যে অভিযোগ তুলেছেন তার মধ্যে যে দুটি অভিযোগ রাজনীতিবিদদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম সেবা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে এবং সামাজিক বিভক্তি বাড়িয়ে গণতন্ত্রকে দুর্বল করে ফেসবুকের অ্যালগরিদম।