ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

কেন পাকিস্তানের কোচ হতে চান না, জানালেন ওয়াসিম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তান ক্রিকেটটাই অনুনমেয়। খেলা এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টে কখন কী ঘটে সেটি আন্দাজ করা মুশকিল।

কোচের পদও তার ব্যতিক্রম নয়। গত মাসেই হুট করে হেড কোচের দায়িত্ব ছাড়েন মিসবাহ-উল হক। এ নিয়ে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনার। অনেকবারই দেশটির হেড কোচ হওয়ার ব্যাপারে শোনা গেছে ওয়াকার ইউনুসের নাম। আবার কেউ কেউ ওয়াসিম আকরামের নামও আলোচনায় নিয়ে আসছেন।

তবে পাকিস্তানের কোচ হতে আগ্রহী নন ওয়াসিম আকরাম। কেন তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নিতে চান না সেটিও স্পষ্ট করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওয়াসিম বলেন, পাকিস্তানের কোচরা যে দুর্ব্যবহারের শিকার হন, আমি সেটি সহ্য করতে পারব না।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান ক্রিকেট দলের এই সদস্য বলেন, কোচের ওপর অনেক চাপ, সেটি আমি নিতে পারব না।

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচিং স্টাফের সদস্য ওয়াসিম। যুক্ত ছিলেন পাকিস্তান সুপার লিগের বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গেও। কিন্তু কেন কখনও জাতীয় দলের কোচ হননি ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী এ খেলোয়াড়।

ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি বোকা না। আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি— মানুষ কীভাবে কোচ ও সিনিয়রদের নিয়ে বাজে ব্যবহার করে। খেলোয়াড়রাই খেলে। কোচরা কেবল পরিকল্পনা দিয়ে সাহায্য করতে পারে। তাই যদি দল হারে, আমার মনে হয় না কোচরা পুরো দেশের দায়িত্ব নেবে।’

ওয়াসিম আরও বলেন, আমি অনেকটা ভীত। কারণ আমি কারও বাজে ব্যবহার সহ্য করতে পারি না। আমরা ওরকমই হয়ে যাচ্ছি। আমি মানুষদের উদ্দীপনা ও প্যাশনকে পছন্দ করি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা যেটা করে, সেটিকে পছন্দ করি না।’

জাতীয় দলের কোচ না হওয়ার ব্যাপারে আরও একটি কারণ জানিয়ে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘আপনি যদি জাতীয় দলের কোচ হোন, বছরে ২০০ থেকে ২৫০ দিন দিতে হবে। এটি অনেক কাজ হয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

কেন পাকিস্তানের কোচ হতে চান না, জানালেন ওয়াসিম

আপডেট সময় ০৭:০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অক্টোবর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

পাকিস্তান ক্রিকেটটাই অনুনমেয়। খেলা এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টে কখন কী ঘটে সেটি আন্দাজ করা মুশকিল।

কোচের পদও তার ব্যতিক্রম নয়। গত মাসেই হুট করে হেড কোচের দায়িত্ব ছাড়েন মিসবাহ-উল হক। এ নিয়ে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনার। অনেকবারই দেশটির হেড কোচ হওয়ার ব্যাপারে শোনা গেছে ওয়াকার ইউনুসের নাম। আবার কেউ কেউ ওয়াসিম আকরামের নামও আলোচনায় নিয়ে আসছেন।

তবে পাকিস্তানের কোচ হতে আগ্রহী নন ওয়াসিম আকরাম। কেন তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নিতে চান না সেটিও স্পষ্ট করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওয়াসিম বলেন, পাকিস্তানের কোচরা যে দুর্ব্যবহারের শিকার হন, আমি সেটি সহ্য করতে পারব না।

১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান ক্রিকেট দলের এই সদস্য বলেন, কোচের ওপর অনেক চাপ, সেটি আমি নিতে পারব না।

আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচিং স্টাফের সদস্য ওয়াসিম। যুক্ত ছিলেন পাকিস্তান সুপার লিগের বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গেও। কিন্তু কেন কখনও জাতীয় দলের কোচ হননি ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী এ খেলোয়াড়।

ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি বোকা না। আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি— মানুষ কীভাবে কোচ ও সিনিয়রদের নিয়ে বাজে ব্যবহার করে। খেলোয়াড়রাই খেলে। কোচরা কেবল পরিকল্পনা দিয়ে সাহায্য করতে পারে। তাই যদি দল হারে, আমার মনে হয় না কোচরা পুরো দেশের দায়িত্ব নেবে।’

ওয়াসিম আরও বলেন, আমি অনেকটা ভীত। কারণ আমি কারও বাজে ব্যবহার সহ্য করতে পারি না। আমরা ওরকমই হয়ে যাচ্ছি। আমি মানুষদের উদ্দীপনা ও প্যাশনকে পছন্দ করি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা যেটা করে, সেটিকে পছন্দ করি না।’

জাতীয় দলের কোচ না হওয়ার ব্যাপারে আরও একটি কারণ জানিয়ে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘আপনি যদি জাতীয় দলের কোচ হোন, বছরে ২০০ থেকে ২৫০ দিন দিতে হবে। এটি অনেক কাজ হয়ে যায়।