ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ই-কমার্স খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিডির সুপারিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের উদীয়মান ই-কর্মাসখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাতটি সুপারিশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ই-কর্মাসখাতের চ্যালেঞ্জ কি করা উচিত শীর্ষক এক ভার্চু্যয়াল আলোচনায় এসব সুপারিশ করা হয়। আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

আলোচনায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক আচরণের কারণে ই-কমার্স খাত মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার ভোক্তাদের টাকা আছে। অন্যদিকে, ই-কমার্স সেক্টরের ওপর গ্রাহকদের আস্থাও নষ্ট হয়েছে।

গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর জন্য সিপিডি সাতটি সুপারিশ করেছে। এগুলো বাস্তবায়ন করলে আবারও গ্রাহকের আস্থা ফিরতে পারে ই-কর্মাসখাতের ওপর।

সুপারিশগুলো হলো-

• বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান সংশোধন করা উচিত এবং প্রতারক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

• পর্যাপ্ত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং প্রযুক্তি উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের মতো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে এবং এই সংস্থাগুলের ভূমিকা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে।

• ই-কমার্সের উপর নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা উচিত এবং সেগুলি সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং জনগণের সঙ্গে নিয়মিত ভাবে ভাগ করা উচিত যাতে এই ব্যবসার জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং গ্রাহকদের ই-কমার্স ব্যবসার কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করে।

• ই-কমার্স গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত যাতে তারা দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং অসাধু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের এই ধরনের ফাঁদে না পড়ে।

• ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) -এর মতো বেসরকারি সংস্থার নিবন্ধনের আগে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করা, তাদের স্থায়ীত্ব যাচাই করা এবং এই ব্যবসার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সদস্যপদ দেওয়া।

• প্রতারক প্রতিষ্ঠানে জনগণ যেন বিনিয়োগ না করে সেজন্য সরকারকে কোম্পানি আইনের আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ই-কমার্স খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিডির সুপারিশ

আপডেট সময় ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের উদীয়মান ই-কর্মাসখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাতটি সুপারিশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ই-কর্মাসখাতের চ্যালেঞ্জ কি করা উচিত শীর্ষক এক ভার্চু্যয়াল আলোচনায় এসব সুপারিশ করা হয়। আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

আলোচনায় বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণামূলক আচরণের কারণে ই-কমার্স খাত মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার ভোক্তাদের টাকা আছে। অন্যদিকে, ই-কমার্স সেক্টরের ওপর গ্রাহকদের আস্থাও নষ্ট হয়েছে।

গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর জন্য সিপিডি সাতটি সুপারিশ করেছে। এগুলো বাস্তবায়ন করলে আবারও গ্রাহকের আস্থা ফিরতে পারে ই-কর্মাসখাতের ওপর।

সুপারিশগুলো হলো-

• বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান সংশোধন করা উচিত এবং প্রতারক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

• পর্যাপ্ত, দক্ষ মানবসম্পদ এবং প্রযুক্তি উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের মতো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে এবং এই সংস্থাগুলের ভূমিকা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে।

• ই-কমার্সের উপর নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা উচিত এবং সেগুলি সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং জনগণের সঙ্গে নিয়মিত ভাবে ভাগ করা উচিত যাতে এই ব্যবসার জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং গ্রাহকদের ই-কমার্স ব্যবসার কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করে।

• ই-কমার্স গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত যাতে তারা দায়িত্বশীল আচরণ করে এবং অসাধু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের এই ধরনের ফাঁদে না পড়ে।

• ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) -এর মতো বেসরকারি সংস্থার নিবন্ধনের আগে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করা, তাদের স্থায়ীত্ব যাচাই করা এবং এই ব্যবসার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে সদস্যপদ দেওয়া।

• প্রতারক প্রতিষ্ঠানে জনগণ যেন বিনিয়োগ না করে সেজন্য সরকারকে কোম্পানি আইনের আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করতে হবে।