ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চীনকে রুখতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় তারা উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভাগাভাগি করবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, মূলত চীনকে রুখতেই ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিটি করা হয়েছে।

এই চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরি করতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তিটি পরিচিত পেয়েছে অকাস (এইউকেইউএস) নামে। চুক্তির অধীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবারের মতো বিষয়গুলোও রয়েছে।

দেশ তিনটি চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের ডিজাইন করা সাবমেরিন বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

এর আগে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য ১২টি সাবমেনিন বানাতে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের চুক্তি হয়েছিল। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখন এই চুক্তি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ক্যানবেরার দাবি ছিল, এই সাবমেরিন বানানোর ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া থেকেই বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হবে। যার কারণে প্রকল্পটি বিলম্ব হয়ে যায়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি চালুর ব্যাপারে একটি যৌথ বিৃবতি জারি করেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন চুক্তিতে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির ব্যাপারে সমর্থন করার অঙ্গীকার করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে।’

নেতারা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া একটি অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে তার বাধ্যবাধকতাকে পূর্ণতা দিকে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে রুখতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি

আপডেট সময় ০১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় তারা উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভাগাভাগি করবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, মূলত চীনকে রুখতেই ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিটি করা হয়েছে।

এই চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরি করতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তিটি পরিচিত পেয়েছে অকাস (এইউকেইউএস) নামে। চুক্তির অধীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবারের মতো বিষয়গুলোও রয়েছে।

দেশ তিনটি চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের ডিজাইন করা সাবমেরিন বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

এর আগে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য ১২টি সাবমেনিন বানাতে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের চুক্তি হয়েছিল। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখন এই চুক্তি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ক্যানবেরার দাবি ছিল, এই সাবমেরিন বানানোর ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া থেকেই বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হবে। যার কারণে প্রকল্পটি বিলম্ব হয়ে যায়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি চালুর ব্যাপারে একটি যৌথ বিৃবতি জারি করেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন চুক্তিতে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির ব্যাপারে সমর্থন করার অঙ্গীকার করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে।’

নেতারা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া একটি অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে তার বাধ্যবাধকতাকে পূর্ণতা দিকে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’