ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৪ যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন।

আসামিরা হলেন-উল্লাপাড়া থানার কাশিনাথপুর গ্রামের হোরমুজের ছেলে রাকিব (২৮), একই গ্রামের বদিউজ্জামান ওরফে মেজরের ছেলে মাসুদ (২১), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার একডালা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে ইমন সেখ (২৩) ও কাশিনাথপুর গ্রামের মাজেদ (২৫)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী উল্লাপাড়া উপজেলার একটি স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। মোবাইলে ফোনের মাধ্যমে মামলার তিন নম্বর আসামি ইমনের সাথে ওই স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে মোবাইলের ইমোতে দুজনের কথোপকথনের সময় ইমন তার কিছু অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে রাখে। চলতি বছরের ১৭ জুন ইমন কাশিনাথপুর গ্রামে মামলার চার নম্বর আসামি মাজেদের বাড়িতে আসে ওই স্কুলছাত্রীকে নিয়ে। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে দুজন মিলে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে।

পরে ২২ জুন ইমন অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই স্কুলছাত্রীর কাছে টাকা দাবি করে। উপায় না পেয়ে সে ৪০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেয়। পুনরায় ২৯ জুন টাকা দাবি করলে সে তার মায়ের গহনা বিক্রি করে আরো ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেয়। পরে আবারো ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে স্কুলছাত্রী দিতে রাজি হয়নি। এমন অবস্থায় ইমন ও মাজেদ ওই ভিডিও মামলার এক নম্বর ও দুই নম্বর আসামি রাকিব ও মাসুদের মোবাইলে দেয়। রাকিব ও মাসুদ অশ্লীল ভিডিওগুলো ওই মেয়েকে দেখায় এবং ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ও ব্ল্যাক মেইল করে তাকে গত ৬ জুলাই রাত ১০টায় দুজন মিলে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। পরে ফের ২৭ আগস্ট রাতে একই কায়দায় তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন জানান, ওই শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগটি মামলা হিসেবে গণ্য করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীর মেডিকেল পরীক্ষা শেষে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্কুলছাত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, ফাঁদে ফেলে একাধিকবার ধর্ষণ

আপডেট সময় ১১:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৪ যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন।

আসামিরা হলেন-উল্লাপাড়া থানার কাশিনাথপুর গ্রামের হোরমুজের ছেলে রাকিব (২৮), একই গ্রামের বদিউজ্জামান ওরফে মেজরের ছেলে মাসুদ (২১), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার একডালা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে ইমন সেখ (২৩) ও কাশিনাথপুর গ্রামের মাজেদ (২৫)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী উল্লাপাড়া উপজেলার একটি স্কুলের দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। মোবাইলে ফোনের মাধ্যমে মামলার তিন নম্বর আসামি ইমনের সাথে ওই স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে মোবাইলের ইমোতে দুজনের কথোপকথনের সময় ইমন তার কিছু অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে রাখে। চলতি বছরের ১৭ জুন ইমন কাশিনাথপুর গ্রামে মামলার চার নম্বর আসামি মাজেদের বাড়িতে আসে ওই স্কুলছাত্রীকে নিয়ে। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে দুজন মিলে স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে।

পরে ২২ জুন ইমন অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই স্কুলছাত্রীর কাছে টাকা দাবি করে। উপায় না পেয়ে সে ৪০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে দেয়। পুনরায় ২৯ জুন টাকা দাবি করলে সে তার মায়ের গহনা বিক্রি করে আরো ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেয়। পরে আবারো ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে স্কুলছাত্রী দিতে রাজি হয়নি। এমন অবস্থায় ইমন ও মাজেদ ওই ভিডিও মামলার এক নম্বর ও দুই নম্বর আসামি রাকিব ও মাসুদের মোবাইলে দেয়। রাকিব ও মাসুদ অশ্লীল ভিডিওগুলো ওই মেয়েকে দেখায় এবং ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ও ব্ল্যাক মেইল করে তাকে গত ৬ জুলাই রাত ১০টায় দুজন মিলে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। পরে ফের ২৭ আগস্ট রাতে একই কায়দায় তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন জানান, ওই শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগটি মামলা হিসেবে গণ্য করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীর মেডিকেল পরীক্ষা শেষে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।