ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

‘নিজেরা মারা গেছেন’, জানলেন টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার (কোভিড-১৯) টিকা নিবন্ধন করবেন। এ জন্য নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে দোকানে (যে দোকানে কম্পিউটারে নিবন্ধন করিয়ে দেওয়া হয়) গিয়েছিলেন দুইজন। কিন্তু নিবন্ধন অপশনে তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়ার পর দেখানো হলো, ‘তারা মৃত’। ফলে নিবন্ধন করতে পারেননি তারা। এই দুজন হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মোফাজ্জল হোসেন (২১) ও শিপন মিয়া (৩২)।

মোফাজ্জল হোসেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বল্প চরপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও শিপন মিয়া একই উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর টানপাড়া মলামারি গ্রামের মৃত আবু ছাঈদের ছেলে।

জানা যায়, মোফাজ্জল হোসেন ২০১৩ সালে ভোটার হন ও শিপন মিয়া ২০০৮ সালে ভোটার হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর ২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয় পত্রে তাদের মৃত দেখানো হয়।

মোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৩ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করি। এরপর কোনো প্রয়োজন পড়েনি এটির। এবার করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানলাম, ‘আমি ২০১৫ সালে মারা গেছি।’ ফলে টিকা নিবন্ধন করতে পারিনি।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারি, ‘আমি মারা গেছি।’ পরে স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেছি।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহাবুবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘নিজেরা মারা গেছেন’, জানলেন টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে

আপডেট সময় ১০:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার (কোভিড-১৯) টিকা নিবন্ধন করবেন। এ জন্য নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে দোকানে (যে দোকানে কম্পিউটারে নিবন্ধন করিয়ে দেওয়া হয়) গিয়েছিলেন দুইজন। কিন্তু নিবন্ধন অপশনে তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়ার পর দেখানো হলো, ‘তারা মৃত’। ফলে নিবন্ধন করতে পারেননি তারা। এই দুজন হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মোফাজ্জল হোসেন (২১) ও শিপন মিয়া (৩২)।

মোফাজ্জল হোসেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বল্প চরপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও শিপন মিয়া একই উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর টানপাড়া মলামারি গ্রামের মৃত আবু ছাঈদের ছেলে।

জানা যায়, মোফাজ্জল হোসেন ২০১৩ সালে ভোটার হন ও শিপন মিয়া ২০০৮ সালে ভোটার হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর ২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয় পত্রে তাদের মৃত দেখানো হয়।

মোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৩ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করি। এরপর কোনো প্রয়োজন পড়েনি এটির। এবার করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানলাম, ‘আমি ২০১৫ সালে মারা গেছি।’ ফলে টিকা নিবন্ধন করতে পারিনি।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারি, ‘আমি মারা গেছি।’ পরে স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেছি।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহাবুবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে।’