ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘নিজেরা মারা গেছেন’, জানলেন টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার (কোভিড-১৯) টিকা নিবন্ধন করবেন। এ জন্য নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে দোকানে (যে দোকানে কম্পিউটারে নিবন্ধন করিয়ে দেওয়া হয়) গিয়েছিলেন দুইজন। কিন্তু নিবন্ধন অপশনে তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়ার পর দেখানো হলো, ‘তারা মৃত’। ফলে নিবন্ধন করতে পারেননি তারা। এই দুজন হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মোফাজ্জল হোসেন (২১) ও শিপন মিয়া (৩২)।

মোফাজ্জল হোসেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বল্প চরপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও শিপন মিয়া একই উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর টানপাড়া মলামারি গ্রামের মৃত আবু ছাঈদের ছেলে।

জানা যায়, মোফাজ্জল হোসেন ২০১৩ সালে ভোটার হন ও শিপন মিয়া ২০০৮ সালে ভোটার হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর ২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয় পত্রে তাদের মৃত দেখানো হয়।

মোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৩ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করি। এরপর কোনো প্রয়োজন পড়েনি এটির। এবার করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানলাম, ‘আমি ২০১৫ সালে মারা গেছি।’ ফলে টিকা নিবন্ধন করতে পারিনি।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারি, ‘আমি মারা গেছি।’ পরে স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেছি।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহাবুবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘নিজেরা মারা গেছেন’, জানলেন টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে

আপডেট সময় ১০:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার (কোভিড-১৯) টিকা নিবন্ধন করবেন। এ জন্য নিজেদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে দোকানে (যে দোকানে কম্পিউটারে নিবন্ধন করিয়ে দেওয়া হয়) গিয়েছিলেন দুইজন। কিন্তু নিবন্ধন অপশনে তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়ার পর দেখানো হলো, ‘তারা মৃত’। ফলে নিবন্ধন করতে পারেননি তারা। এই দুজন হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মোফাজ্জল হোসেন (২১) ও শিপন মিয়া (৩২)।

মোফাজ্জল হোসেন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের স্বল্প চরপাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে ও শিপন মিয়া একই উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর টানপাড়া মলামারি গ্রামের মৃত আবু ছাঈদের ছেলে।

জানা যায়, মোফাজ্জল হোসেন ২০১৩ সালে ভোটার হন ও শিপন মিয়া ২০০৮ সালে ভোটার হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন। এরপর ২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয় পত্রে তাদের মৃত দেখানো হয়।

মোফাজ্জল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ২০১৩ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করি। এরপর কোনো প্রয়োজন পড়েনি এটির। এবার করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানলাম, ‘আমি ২০১৫ সালে মারা গেছি।’ ফলে টিকা নিবন্ধন করতে পারিনি।

ভুক্তভোগী শিপন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার টিকার নিবন্ধন করতে গিয়ে জানতে পারি, ‘আমি মারা গেছি।’ পরে স্থানীয়দের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধনের আবেদন করেছি।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহাবুবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধান করা হবে।’