ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ জলাবদ্ধ মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গুণগত ও পরিকল্পিত জনসংখ্যা একটি দেশের প্রধান সম্পদ ও শক্তি: রাষ্ট্রপতি দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো কর্মসূচিতে সরকার অংশ নেবে না : অর্থমন্ত্রী কানাডার টরন্টোতে বন্দুক হামলায় দুইজন নিহত, আহত ৬ শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ঢাকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, দুই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই ফিরুন’, হাসিনাকে আসিফ নজরুল এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী র‍্যাম্পের নিচে জলাবদ্ধতা, সতর্ক করল পুলিশ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ শিক্ষার্থী

দেশে ইন্টারনেটের দুর্বল গতির কারণ জানালো অপারেটররা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে বরাবরই গ্রাহকরা ক্ষুদ্ধ। উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এই গতি তুলনামূলকভাবে কম। ইন্টারনেটের গতি কমার কারণ হিসেবে টেলিকম অপারেটররা স্পেকট্রামের স্বল্পতা আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করছেন।

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) বৃহস্পতিবার তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম খাত নিয়ে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় ইন্টারনেটের দুর্বল গতির কারণ জানালো অপারেটররা। অনুষ্ঠানটি অনলাইনে আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে অ্যামটবের সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সভায় রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার তৈমুর রহমান, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হোসাইন সাদাত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্কের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে অপারেটররা গতানুগতিকভাবে স্পেকট্রাম স্বল্পতার অভিযোগ তোলেন। স্পেকট্রাম নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বিটিআরসিকে দেওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে অপারেটরদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিটিআরসিকে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তহীনতাকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন অপারেটররা।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অব্যবহূত মোবাইল ডাটা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা ঠিকমতো দেওয়া হয় না। উপজেলা পর্যায়ে নেটওয়ার্কের অবস্থা খুবই দুর্বল। তাছাড়া কিছু কিছু এলাকায় এখনো নেটওয়ার্ক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। কল সেন্টারের সেবার মানও নাজুক। অনেক সময় সমস্যার কথা বলতেই তিন থেকে চার মিনিট চলে যায়। এর পরও সমস্যার সমাধান নিয়ে মনমতো উত্তর পাওয়া যায় না। অপারেটরদের পক্ষ থেকে গতানুগতিক উত্তর দেওয়া হলেও কবে নাগাদ ভালো সেবা মিলতে পারে, তার কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গতবারের মতো এবারও বাংলাদেশ ১৩৫ নম্বরে। তবে গত প্রতিবেদনে ১৩৭টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম ছিল, আর এবার ১৩৯টি দেশের মধ্যে। বিশ্বের নানা দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে ওকলা নামের প্রতিষ্ঠান। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাঙ্গায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা: মামলা হয়নি, ব্রেক ফেলকেই কারণ বলছে পুলিশ

দেশে ইন্টারনেটের দুর্বল গতির কারণ জানালো অপারেটররা

আপডেট সময় ০৯:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অগাস্ট ২০২১

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে বরাবরই গ্রাহকরা ক্ষুদ্ধ। উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এই গতি তুলনামূলকভাবে কম। ইন্টারনেটের গতি কমার কারণ হিসেবে টেলিকম অপারেটররা স্পেকট্রামের স্বল্পতা আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করছেন।

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) বৃহস্পতিবার তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম খাত নিয়ে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় ইন্টারনেটের দুর্বল গতির কারণ জানালো অপারেটররা। অনুষ্ঠানটি অনলাইনে আয়োজন করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে অ্যামটবের সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এস এম ফরহাদ একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সভায় রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার তৈমুর রহমান, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হোসাইন সাদাত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকেরা নিজেদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্কের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে অপারেটররা গতানুগতিকভাবে স্পেকট্রাম স্বল্পতার অভিযোগ তোলেন। স্পেকট্রাম নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বিটিআরসিকে দেওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে অপারেটরদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিটিআরসিকে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তহীনতাকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন অপারেটররা।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অব্যবহূত মোবাইল ডাটা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা ঠিকমতো দেওয়া হয় না। উপজেলা পর্যায়ে নেটওয়ার্কের অবস্থা খুবই দুর্বল। তাছাড়া কিছু কিছু এলাকায় এখনো নেটওয়ার্ক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। কল সেন্টারের সেবার মানও নাজুক। অনেক সময় সমস্যার কথা বলতেই তিন থেকে চার মিনিট চলে যায়। এর পরও সমস্যার সমাধান নিয়ে মনমতো উত্তর পাওয়া যায় না। অপারেটরদের পক্ষ থেকে গতানুগতিক উত্তর দেওয়া হলেও কবে নাগাদ ভালো সেবা মিলতে পারে, তার কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। গতবারের মতো এবারও বাংলাদেশ ১৩৫ নম্বরে। তবে গত প্রতিবেদনে ১৩৭টি দেশের মধ্যে ১৩৫তম ছিল, আর এবার ১৩৯টি দেশের মধ্যে। বিশ্বের নানা দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে ওকলা নামের প্রতিষ্ঠান। এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।