ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা দেশে হিসাব কারচুপির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার হয়েছে :পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশন আ.লীগ নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গণঅধিকারকে বেছে নেবে: নুর হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম

মৃত ব্ল্যাক হোলের সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ব্ল্যাক হোল শব্দের অর্থ কালো গর্ত। মহাশূন্যের এক অনন্ত বিস্ময়। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কালো বস্তুর মতো।

ছায়াপথের কালো হৃদয়ে শায়িত বিরাট ব্ল্যাক হোলগুলোর মধ্যে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ লক্ষ সূর্যের সমান ভর! কিন্তু কী করে মৃত্যু হয় ব্ল্যাক হোলগুলোর। এবার সেসম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা।

ব্ল্যাক হোলের একটি বিশেষ শ্রেণিকে অ্যাকটিভ গ্যালাক্টিক নিউক্লেই (এজিএন) নামে ডাকেন বিজ্ঞানীরা। এদের বৈশিষ্ট্যই হল তাদের শরীর থেকে এক্স রে জাতীয় বিকিরণ ও রেডিও তরঙ্গ নির্গত হয়। কিন্তু এই মহাবিশ্বের অমর কেউই নয়। পরাক্রমশালী ব্ল্যাক হোলেরও শেষ আছে। সেটা বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই জানেন। কিন্তু ঠিক কখন ও কেমন করে তাদের মৃত্যু হয়, তা আজও বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোহেই ইচিকাওয়ার নেতৃত্বে গবেষণা করতে নেমে এক গবেষক দল একটি সূত্র পেয়েছে। সুদূরে অবস্থিত এআরপি১৮৭ ছায়াপথে তারা এমন এক এজিএন ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি মৃতপ্রায়।

৩ হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা তরঙ্গ থেকে এ ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন তারা। এআরপি১৮৭ ছায়াপথে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলটির অবস্থাকে তারা বর্ণনা করেছেন লাইট ইকো হিসেবে। এই ব্ল্যাক হোলটির শরীর থেকে যে বিকিরণ বেরতে দেখা গিয়েছে, তা অনেকটাই নিভন্ত চুলা থেকে নির্গত হওয়া মৃদু ধোঁয়ার মতো। যা থেকে পরিষ্কার, নির্জীব হয়ে পড়ছে ব্ল্যাক হোলটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

মৃত ব্ল্যাক হোলের সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় ১০:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ব্ল্যাক হোল শব্দের অর্থ কালো গর্ত। মহাশূন্যের এক অনন্ত বিস্ময়। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কালো বস্তুর মতো।

ছায়াপথের কালো হৃদয়ে শায়িত বিরাট ব্ল্যাক হোলগুলোর মধ্যে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ লক্ষ সূর্যের সমান ভর! কিন্তু কী করে মৃত্যু হয় ব্ল্যাক হোলগুলোর। এবার সেসম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা।

ব্ল্যাক হোলের একটি বিশেষ শ্রেণিকে অ্যাকটিভ গ্যালাক্টিক নিউক্লেই (এজিএন) নামে ডাকেন বিজ্ঞানীরা। এদের বৈশিষ্ট্যই হল তাদের শরীর থেকে এক্স রে জাতীয় বিকিরণ ও রেডিও তরঙ্গ নির্গত হয়। কিন্তু এই মহাবিশ্বের অমর কেউই নয়। পরাক্রমশালী ব্ল্যাক হোলেরও শেষ আছে। সেটা বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই জানেন। কিন্তু ঠিক কখন ও কেমন করে তাদের মৃত্যু হয়, তা আজও বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোহেই ইচিকাওয়ার নেতৃত্বে গবেষণা করতে নেমে এক গবেষক দল একটি সূত্র পেয়েছে। সুদূরে অবস্থিত এআরপি১৮৭ ছায়াপথে তারা এমন এক এজিএন ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি মৃতপ্রায়।

৩ হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা তরঙ্গ থেকে এ ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন তারা। এআরপি১৮৭ ছায়াপথে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলটির অবস্থাকে তারা বর্ণনা করেছেন লাইট ইকো হিসেবে। এই ব্ল্যাক হোলটির শরীর থেকে যে বিকিরণ বেরতে দেখা গিয়েছে, তা অনেকটাই নিভন্ত চুলা থেকে নির্গত হওয়া মৃদু ধোঁয়ার মতো। যা থেকে পরিষ্কার, নির্জীব হয়ে পড়ছে ব্ল্যাক হোলটি।