ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

মৃত ব্ল্যাক হোলের সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ব্ল্যাক হোল শব্দের অর্থ কালো গর্ত। মহাশূন্যের এক অনন্ত বিস্ময়। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কালো বস্তুর মতো।

ছায়াপথের কালো হৃদয়ে শায়িত বিরাট ব্ল্যাক হোলগুলোর মধ্যে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ লক্ষ সূর্যের সমান ভর! কিন্তু কী করে মৃত্যু হয় ব্ল্যাক হোলগুলোর। এবার সেসম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা।

ব্ল্যাক হোলের একটি বিশেষ শ্রেণিকে অ্যাকটিভ গ্যালাক্টিক নিউক্লেই (এজিএন) নামে ডাকেন বিজ্ঞানীরা। এদের বৈশিষ্ট্যই হল তাদের শরীর থেকে এক্স রে জাতীয় বিকিরণ ও রেডিও তরঙ্গ নির্গত হয়। কিন্তু এই মহাবিশ্বের অমর কেউই নয়। পরাক্রমশালী ব্ল্যাক হোলেরও শেষ আছে। সেটা বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই জানেন। কিন্তু ঠিক কখন ও কেমন করে তাদের মৃত্যু হয়, তা আজও বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোহেই ইচিকাওয়ার নেতৃত্বে গবেষণা করতে নেমে এক গবেষক দল একটি সূত্র পেয়েছে। সুদূরে অবস্থিত এআরপি১৮৭ ছায়াপথে তারা এমন এক এজিএন ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি মৃতপ্রায়।

৩ হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা তরঙ্গ থেকে এ ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন তারা। এআরপি১৮৭ ছায়াপথে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলটির অবস্থাকে তারা বর্ণনা করেছেন লাইট ইকো হিসেবে। এই ব্ল্যাক হোলটির শরীর থেকে যে বিকিরণ বেরতে দেখা গিয়েছে, তা অনেকটাই নিভন্ত চুলা থেকে নির্গত হওয়া মৃদু ধোঁয়ার মতো। যা থেকে পরিষ্কার, নির্জীব হয়ে পড়ছে ব্ল্যাক হোলটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

মৃত ব্ল্যাক হোলের সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় ১০:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

ব্ল্যাক হোল শব্দের অর্থ কালো গর্ত। মহাশূন্যের এক অনন্ত বিস্ময়। একে এই নামকরণ করার পেছনে কারণ হল এটি এর নিজের দিকে আসা সকল আলোক রশ্মিকে শুষে নেয়। থেকে কোন আলোক বিন্দুই ফিরে আসতে পারে না ঠিক থার্মোডায়নামিক্সের কালো বস্তুর মতো।

ছায়াপথের কালো হৃদয়ে শায়িত বিরাট ব্ল্যাক হোলগুলোর মধ্যে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ লক্ষ সূর্যের সমান ভর! কিন্তু কী করে মৃত্যু হয় ব্ল্যাক হোলগুলোর। এবার সেসম্পর্কে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা।

ব্ল্যাক হোলের একটি বিশেষ শ্রেণিকে অ্যাকটিভ গ্যালাক্টিক নিউক্লেই (এজিএন) নামে ডাকেন বিজ্ঞানীরা। এদের বৈশিষ্ট্যই হল তাদের শরীর থেকে এক্স রে জাতীয় বিকিরণ ও রেডিও তরঙ্গ নির্গত হয়। কিন্তু এই মহাবিশ্বের অমর কেউই নয়। পরাক্রমশালী ব্ল্যাক হোলেরও শেষ আছে। সেটা বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই জানেন। কিন্তু ঠিক কখন ও কেমন করে তাদের মৃত্যু হয়, তা আজও বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোহেই ইচিকাওয়ার নেতৃত্বে গবেষণা করতে নেমে এক গবেষক দল একটি সূত্র পেয়েছে। সুদূরে অবস্থিত এআরপি১৮৭ ছায়াপথে তারা এমন এক এজিএন ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন, যেটি মৃতপ্রায়।

৩ হাজার আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা তরঙ্গ থেকে এ ব্যাপারে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন তারা। এআরপি১৮৭ ছায়াপথে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলটির অবস্থাকে তারা বর্ণনা করেছেন লাইট ইকো হিসেবে। এই ব্ল্যাক হোলটির শরীর থেকে যে বিকিরণ বেরতে দেখা গিয়েছে, তা অনেকটাই নিভন্ত চুলা থেকে নির্গত হওয়া মৃদু ধোঁয়ার মতো। যা থেকে পরিষ্কার, নির্জীব হয়ে পড়ছে ব্ল্যাক হোলটি।