ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

সরকারি ৪ প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন মেয়র কাদের মির্জা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পৌর বিধিমোতাবেক ফি জমা দিয়ে পৌরসভার অনুমতি না নিয়ে বসুরহাট পৌর এলাকায় কাজ শুরু করায় চারটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

নোয়াখালী এলজিইডি ও জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পৌরসভার ফি জমা দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়নি দাবি করে বৃহস্পতিবার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা চলমান সাত কোটি টাকা ব্যয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সসহ মাকসুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন, সরকারি মুজিব কলেজের দুটি ভবন ও সরকারি এইচসি সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ভবনের কাজ বন্ধ করে দেন।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল জানান, সরকারি ভবন করতে হলে পৌরসভাকে ফি দিয়ে কোনো অনুমতি বা অনুমোদন নিতে হয় না জানতাম। তার পরও পৌরসভার ফির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখব। কারণ এসব প্রকল্পের বাজেটে পৌর ফি ধরা ছিল না।

নোয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপংকর খিসা জানান, জুনের মাঝামাঝি মেয়র কাজ বন্ধ করলে আমরা পৌরসভার ফি জমা দিয়ে কাজ শুরু করি। আবার বন্ধ করছে কিনা তা তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, নোয়াখালী এলজিইডি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও মাকসুদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সরকারি মুজিব কলেজের দুটি ভবন ও এইচসি সরকারি বিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

এ ব্যাপারে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, পৌরসভার ম্যানুয়াল ও স্থানীয় সরকার বিধি অনুযায়ী পৌরসভার ফি জমা দিয়ে অনুমতি না নিয়ে কাজ করায় পৌর আইন অনুয়ায়ী অনুমোদন নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, পৌর ট্যাক্সের টাকা তো জনগণের জন্যই খরচ করা হয়। এ টাকা তো মেয়রের নয়। তারা পৌরবিধি অনুযায়ী ফি জমা দিয়ে অনুমতি নিয়ে যে কোনো সময় কাজ করতে পারে। এখানে ভুল বোঝার কোনো অবকাশ নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি ৪ প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন মেয়র কাদের মির্জা

আপডেট সময় ০৫:০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পৌর বিধিমোতাবেক ফি জমা দিয়ে পৌরসভার অনুমতি না নিয়ে বসুরহাট পৌর এলাকায় কাজ শুরু করায় চারটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দিলেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

নোয়াখালী এলজিইডি ও জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পৌরসভার ফি জমা দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়নি দাবি করে বৃহস্পতিবার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা চলমান সাত কোটি টাকা ব্যয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্সসহ মাকসুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন, সরকারি মুজিব কলেজের দুটি ভবন ও সরকারি এইচসি সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ভবনের কাজ বন্ধ করে দেন।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শেখ মাহফুজুল জানান, সরকারি ভবন করতে হলে পৌরসভাকে ফি দিয়ে কোনো অনুমতি বা অনুমোদন নিতে হয় না জানতাম। তার পরও পৌরসভার ফির ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখব। কারণ এসব প্রকল্পের বাজেটে পৌর ফি ধরা ছিল না।

নোয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপংকর খিসা জানান, জুনের মাঝামাঝি মেয়র কাজ বন্ধ করলে আমরা পৌরসভার ফি জমা দিয়ে কাজ শুরু করি। আবার বন্ধ করছে কিনা তা তার জানা নেই।

উল্লেখ্য, নোয়াখালী এলজিইডি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও মাকসুদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সরকারি মুজিব কলেজের দুটি ভবন ও এইচসি সরকারি বিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

এ ব্যাপারে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, পৌরসভার ম্যানুয়াল ও স্থানীয় সরকার বিধি অনুযায়ী পৌরসভার ফি জমা দিয়ে অনুমতি না নিয়ে কাজ করায় পৌর আইন অনুয়ায়ী অনুমোদন নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, পৌর ট্যাক্সের টাকা তো জনগণের জন্যই খরচ করা হয়। এ টাকা তো মেয়রের নয়। তারা পৌরবিধি অনুযায়ী ফি জমা দিয়ে অনুমতি নিয়ে যে কোনো সময় কাজ করতে পারে। এখানে ভুল বোঝার কোনো অবকাশ নেই।