ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয় রিমাকে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কিশোরী রিমাকে আটকে রেখে দুই দফা গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশ পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ আসামি সোমবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানান।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মু. মুজাহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় আসামি স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিন।

রিমা নাওডোবাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাজিরা উপজেলার কান্দি গ্রামের ইলিয়াছ চোকদারের মেয়ে।

জাজিরা থানার ওসি এনামূল হক জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে রিমা বাড়ির পাশের জব্বর আকনের বাড়িতে বিয়ে খেতে যায়। সেখান থেকে চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগম কৌশলে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে রাতে স্বপ্না বেগমের সহায়তায় তার স্বামী চুন্নু মোড়ল, নুরু মোড়ল ও আল আমিন মোড়লসহ ৩-৪ জন মিলে রিমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করে আসামিরা।

এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ ফেলে রেখে যায় হত্যাকারীরা।

বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় রিমার বাবা ইলিয়াছ চোকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে জাজিরা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের কাছে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে সোমবার তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওসি এনামুল হক বলেন, এ ঘটনায় স্বপ্নার স্বামী চুন্নু মোড়ল এখনও পলাতক রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয় রিমাকে

আপডেট সময় ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কিশোরী রিমাকে আটকে রেখে দুই দফা গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশ পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ আসামি সোমবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানান।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মু. মুজাহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় আসামি স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিন।

রিমা নাওডোবাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাজিরা উপজেলার কান্দি গ্রামের ইলিয়াছ চোকদারের মেয়ে।

জাজিরা থানার ওসি এনামূল হক জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে রিমা বাড়ির পাশের জব্বর আকনের বাড়িতে বিয়ে খেতে যায়। সেখান থেকে চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগম কৌশলে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে রাতে স্বপ্না বেগমের সহায়তায় তার স্বামী চুন্নু মোড়ল, নুরু মোড়ল ও আল আমিন মোড়লসহ ৩-৪ জন মিলে রিমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করে আসামিরা।

এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ ফেলে রেখে যায় হত্যাকারীরা।

বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় রিমার বাবা ইলিয়াছ চোকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে জাজিরা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের কাছে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে সোমবার তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওসি এনামুল হক বলেন, এ ঘটনায় স্বপ্নার স্বামী চুন্নু মোড়ল এখনও পলাতক রয়েছেন।