ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, সেই ব্যবসায়ীর সন্ধান মিলল চা বাগানে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী শশাংক কুমার দত্তকে (৫৮) গভীর রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার দক্ষিণ বাহাদুরপুর চা বাগান থেকে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, অপহরণকারী চক্রের সদস্য চন্ডিনগর গ্রামের সবুজ হোসেন, ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইসমাইল আহমদ ওরফে হারুন ও বোবারথল গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে জুলমান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সবুজ হোসেন অপহরণের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানান তিনি।

শশাংক কুমার দত্ত বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকার সতেন্দ্র কুমার দত্তের ছেলে। বড়লেখা পৌরশহরে তার একটি ফিলিং স্টেশন, রড-সিমেন্টসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিলেটে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে তিনি বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর এলাকায় অপহরণের শিকার হন অপহরণকারীরা তাকে নোহা গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ছোট ভাইয়ের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, অপহৃতের ছোট ভাই তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশের বিশেষ টিম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শশাংককে উদ্ধারে অভিযানে নামে। রোববার রাত দেড়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউছার দস্তগীরের নেতৃত্বে পুলিশ, ডিবি ও র্যাাবের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নির্জন চা বাগান থেকে অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন।

বড়লেখা থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, তারা মুক্তিপণ ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অপহরণে অন্যান্য জড়িতদের বিষয়ে জানতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, সেই ব্যবসায়ীর সন্ধান মিলল চা বাগানে

আপডেট সময় ১০:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী শশাংক কুমার দত্তকে (৫৮) গভীর রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত দেড়টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার দক্ষিণ বাহাদুরপুর চা বাগান থেকে তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, অপহরণকারী চক্রের সদস্য চন্ডিনগর গ্রামের সবুজ হোসেন, ইব্রাহিম আলীর ছেলে ইসমাইল আহমদ ওরফে হারুন ও বোবারথল গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে জুলমান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সবুজ হোসেন অপহরণের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানান তিনি।

শশাংক কুমার দত্ত বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকার সতেন্দ্র কুমার দত্তের ছেলে। বড়লেখা পৌরশহরে তার একটি ফিলিং স্টেশন, রড-সিমেন্টসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিলেটে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে তিনি বিয়ানীবাজারের মোল্লাপুর এলাকায় অপহরণের শিকার হন অপহরণকারীরা তাকে নোহা গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে তার ছোট ভাইয়ের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, অপহৃতের ছোট ভাই তাদেরকে ঘটনা অবহিত করলে পুলিশের বিশেষ টিম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শশাংককে উদ্ধারে অভিযানে নামে। রোববার রাত দেড়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউছার দস্তগীরের নেতৃত্বে পুলিশ, ডিবি ও র্যাাবের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে নির্জন চা বাগান থেকে অপহৃত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন।

বড়লেখা থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, তারা মুক্তিপণ ছাড়াই অক্ষত অবস্থায় ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। অপহরণে অন্যান্য জড়িতদের বিষয়ে জানতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের রিমান্ড চাওয়া হবে।