ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

স্ত্রীর ভাইকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন ভগ্নিপতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেহেরপুরের গাংনীতে স্ত্রীর ভাইকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে সহযোগীসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন ভগ্নিপতি রাহেদুল ইসলাম (২০)।

দিনগত রাতে উপজেলার বামুন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক দু’জন হলেন- গাংনীর মুন্দা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাহেদুল ইসলাম (২০) ও তার সহযোগী মুস্তাকিন ওরফে জয় (১৮)। জয় একই গ্রামের জাকিরুল ইসলামের ছেলে।

বামন্দী ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের জানান, দেবীপুর গ্রামের খোরশেদ আলীর ছোট বোনের সঙ্গে মুন্দা গ্রামের রাহেদুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নির্যাতন করেতেন স্বামী রাহেদুল। দু’মাস আগে রাহেদুল তার স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় স্ত্রীর ভাই খোরশেদ প্রতিবাদ করলে তাকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেন ভগ্নিপতি রাহেদুল। পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকদিন আগে খোরশে আলীর ঘরের চাতালের ওপর একটি ওয়ান শুটারগান রেখে আসেন রাহেদুল ও তার সহযোগী মুস্তাকিন। পরে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে রাহেদুল বামন্দী থানায় খবর দেন— খোরশেদ গাঁজা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়।

অভিযানে কোনো কিছু না পেয়ে পুলিশ ফিরে যেতে গেলে রাহেদুল আবারও জানান, ঘরের চাতালের ওপর ছেড়া প্যান্ট দিয়ে মোড়ানো আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। পরে সেখান থেকে একটি ওয়ান শুটারগান জব্দ করা হয়। তবে অভিযুক্ত খোরশেদ আলী দাবি করেন তাকে ফাঁসানো চেষ্টা করা হয়েছে। কেননা, অভিযোগকারী কীভাবে জানেন যে অস্ত্র চাতালের ওপর এবং তা ছেড়া প্যান্ট দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা? এ সময় বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় রাহেদুল ও তার সহযোগী মুস্তাকিনকে আটক করা হয় এবং তারা স্বীকারও করেছেন, ভগ্নিপতিকে ফাঁসাতে অস্ত্রটি তারাই চাতালের ওপর রেখেছিলেন।

এ ব্যাপারে আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এসআই আবুল খায়ের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রশ্নফাঁস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার: মাহদী আমিন

স্ত্রীর ভাইকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন ভগ্নিপতি

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেহেরপুরের গাংনীতে স্ত্রীর ভাইকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে সহযোগীসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন ভগ্নিপতি রাহেদুল ইসলাম (২০)।

দিনগত রাতে উপজেলার বামুন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক দু’জন হলেন- গাংনীর মুন্দা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে রাহেদুল ইসলাম (২০) ও তার সহযোগী মুস্তাকিন ওরফে জয় (১৮)। জয় একই গ্রামের জাকিরুল ইসলামের ছেলে।

বামন্দী ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের জানান, দেবীপুর গ্রামের খোরশেদ আলীর ছোট বোনের সঙ্গে মুন্দা গ্রামের রাহেদুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নির্যাতন করেতেন স্বামী রাহেদুল। দু’মাস আগে রাহেদুল তার স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনায় স্ত্রীর ভাই খোরশেদ প্রতিবাদ করলে তাকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেন ভগ্নিপতি রাহেদুল। পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকদিন আগে খোরশে আলীর ঘরের চাতালের ওপর একটি ওয়ান শুটারগান রেখে আসেন রাহেদুল ও তার সহযোগী মুস্তাকিন। পরে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে রাহেদুল বামন্দী থানায় খবর দেন— খোরশেদ গাঁজা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়।

অভিযানে কোনো কিছু না পেয়ে পুলিশ ফিরে যেতে গেলে রাহেদুল আবারও জানান, ঘরের চাতালের ওপর ছেড়া প্যান্ট দিয়ে মোড়ানো আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। পরে সেখান থেকে একটি ওয়ান শুটারগান জব্দ করা হয়। তবে অভিযুক্ত খোরশেদ আলী দাবি করেন তাকে ফাঁসানো চেষ্টা করা হয়েছে। কেননা, অভিযোগকারী কীভাবে জানেন যে অস্ত্র চাতালের ওপর এবং তা ছেড়া প্যান্ট দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা? এ সময় বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় রাহেদুল ও তার সহযোগী মুস্তাকিনকে আটক করা হয় এবং তারা স্বীকারও করেছেন, ভগ্নিপতিকে ফাঁসাতে অস্ত্রটি তারাই চাতালের ওপর রেখেছিলেন।

এ ব্যাপারে আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এসআই আবুল খায়ের।