ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ট্রাম্প বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল মুর্শিদাবাদে স্কুল ভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা, দুই শিক্ষার্থীসহ নিহত তিন ইরানের ৫ সেতু ও একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, নিহত ৮ নাতনির মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানা-নানীসহ ৪ জনের এসএসসির ফল প্রকাশ কবে, যা জানাল শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ফাইনালে যে ১১ রেকর্ডের অপেক্ষায় মেসি

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুরে কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার লাশ টয়লেটের ভেতরে গুম করে রাখেন তিনি। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী পরের দিন ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে আসামি করা হয়।

একই বছরে ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় প্রদান করে।