ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হঠাৎ লাল পানিতে ডুবে গেল গোটা গ্রাম!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

অদ্ভুত দৃশ্য ইন্দোনেশিয়ায়। রাস্তা ভর্তি লাল রঙের পানি থইথই করছে। দেশের জেনগোট এলাকায় সম্প্রতি এমনই দৃশ্য চোখে পড়েছে। কিছুদিন আগে ইন্দোনেশিয়া বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তখন একটি বাটিক ফ্যাক্টরিতে ঢুকে পড়ে পানি। তারপরই পানির রং হয়ে যায় লাল। এখন এলাকার রাস্তায় রাস্তায় এই লাল পানি চোখে পড়ছে।

টুইটারে এখন ভাইরাল এই ছবি। দক্ষিণ পেকালোগান শহরের সেন্ট্রাল জাভায় এই বন্যা দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দেখে অনেকেই রক্ত বলে ভুল করেছিল। একজন নেটিজেন তো এমনও লিখেছেন, এই ছবিগুলো দেখে তিনি রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন হয়তো কোনও কারণে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে। আর একজন আবার লিখেছেন, এই ছবি যদি কোনও মন্দ অভিপ্রায়যুক্ত ব্যক্তির হাতে পড়ে, তাহলেই কেলেঙ্কারি। এই ছবি ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ছড়াতে পারে সে।

পেকালোগান শহরটি বাটিক উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই শহরে এমন একাধিক কারখানা রয়েছে যেখানে জামা কাপড়ের উপর বাটিক প্রিন্ট করা হয়। এটি পানি ও রঙের মিশ্রণ করে এর রকমের ফ্যাব্রিক। ইন্দোনেশিয়ার এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি। অনেকেই এই বাটিক কারখানার উপর ভিত্তি করে জীবন নির্বাহ করে।

তবে শুধু যে শহরের রং লাল হয়ে গেছে এমন নয়। নদীতে বন্যা পরিস্থিতি একাধিক বাটিক কারখানায় ঢুকেছে পানি। আর সেই কারণে বিভিন্ন এলাকার রং হয়েছে বিভিন্ন রকম। গত মাসে বন্যার সময় পেকালংগানের উত্তরে একটি গ্রামে উজ্জ্বল সবুজ পানি ভর্তি হয়ে গিয়েছিল। টুইটারে একজন লিখেছেন, কখনও কখনও রাস্তায় বেগুনি রঙের পাথর কুঁচিও দেখতে পাওয়া গেছে।

ছবিগুলো যে সত্য, ভুয়া নয়, তা নিশ্চিত করেছেন পেকালোগান দুর্যোগ ত্রাণের প্রধান, ডিমাস আরগা যুধা। তিনি বলেছেন, “বন্যার ফলে বাটিকের লাল রং মিশে পানির রং লাল হয়েছে। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির সঙ্গে ওই পানি মিশে গেলেই রং অদৃশ্য হয়ে যাবে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হঠাৎ লাল পানিতে ডুবে গেল গোটা গ্রাম!

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

অদ্ভুত দৃশ্য ইন্দোনেশিয়ায়। রাস্তা ভর্তি লাল রঙের পানি থইথই করছে। দেশের জেনগোট এলাকায় সম্প্রতি এমনই দৃশ্য চোখে পড়েছে। কিছুদিন আগে ইন্দোনেশিয়া বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তখন একটি বাটিক ফ্যাক্টরিতে ঢুকে পড়ে পানি। তারপরই পানির রং হয়ে যায় লাল। এখন এলাকার রাস্তায় রাস্তায় এই লাল পানি চোখে পড়ছে।

টুইটারে এখন ভাইরাল এই ছবি। দক্ষিণ পেকালোগান শহরের সেন্ট্রাল জাভায় এই বন্যা দেখা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দেখে অনেকেই রক্ত বলে ভুল করেছিল। একজন নেটিজেন তো এমনও লিখেছেন, এই ছবিগুলো দেখে তিনি রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন হয়তো কোনও কারণে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে। আর একজন আবার লিখেছেন, এই ছবি যদি কোনও মন্দ অভিপ্রায়যুক্ত ব্যক্তির হাতে পড়ে, তাহলেই কেলেঙ্কারি। এই ছবি ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ছড়াতে পারে সে।

পেকালোগান শহরটি বাটিক উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই শহরে এমন একাধিক কারখানা রয়েছে যেখানে জামা কাপড়ের উপর বাটিক প্রিন্ট করা হয়। এটি পানি ও রঙের মিশ্রণ করে এর রকমের ফ্যাব্রিক। ইন্দোনেশিয়ার এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি। অনেকেই এই বাটিক কারখানার উপর ভিত্তি করে জীবন নির্বাহ করে।

তবে শুধু যে শহরের রং লাল হয়ে গেছে এমন নয়। নদীতে বন্যা পরিস্থিতি একাধিক বাটিক কারখানায় ঢুকেছে পানি। আর সেই কারণে বিভিন্ন এলাকার রং হয়েছে বিভিন্ন রকম। গত মাসে বন্যার সময় পেকালংগানের উত্তরে একটি গ্রামে উজ্জ্বল সবুজ পানি ভর্তি হয়ে গিয়েছিল। টুইটারে একজন লিখেছেন, কখনও কখনও রাস্তায় বেগুনি রঙের পাথর কুঁচিও দেখতে পাওয়া গেছে।

ছবিগুলো যে সত্য, ভুয়া নয়, তা নিশ্চিত করেছেন পেকালোগান দুর্যোগ ত্রাণের প্রধান, ডিমাস আরগা যুধা। তিনি বলেছেন, “বন্যার ফলে বাটিকের লাল রং মিশে পানির রং লাল হয়েছে। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির সঙ্গে ওই পানি মিশে গেলেই রং অদৃশ্য হয়ে যাবে।”