ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

বিশ্বরেকর্ড পাকিস্তান বংশোদ্ভূত পরিবারের, ভাইবোনদের সম্মিলিত বয়স ১০৪২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বরেকর্ড গড়ল পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ডি’ক্রুজ পরিবার। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে নাম উঠেছে এই পরিবারের। জানা গেছে, একই পরিবারের জীবিত ভাইবোনদের সর্বাধিক সম্মিলিত বয়সের জন্য তাদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যাদের ১২ ভাই-বোনের সম্মিলিত বয়স এখন ১০৪২ বছর এবং ৩১৫ দিন (গত ১৬ ডিসেম্বর তাদের নাম নথিভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড)। খবর সিএনএন এর।

তাদের প্রত্যেকের বয়স ৯৭ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। ডি’ক্রুজ পরিবার বলছে, এই রেকর্ড তাদের জীবনের অন্যতম প্রধান স্বীকৃতি। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ডি’ক্রুজ পরিবারের নয় বোন এবং তিন ভাই-এর সবার বড় ডোরেন লুইস জন্মেছিলেন ১৯২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। তারপর একে একে জন্মান প্যাট্রিক ডিক্রুজ (জন্ম – ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৫), জেনেভিউ ফ্যালকাও (জন্ম – ৪ জুলাই ১৯২৭), জয়েস ডিসুজা (জন্ম – ২ মার্চ, ১৯২৯), রোনাল্ড ডি’ক্রুজ (জন্ম – ২৪ অগাস্ট, ১৯৩০), বেরিল কনডিল্যাক (জন্ম – ২৬ আগস্ট ১৯৩২), জো ডি’ক্রুজ (জন্ম – ১৯ জুন, ১৯৩৪), ফ্রান্সেসকা লোবো (জন্ম: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৬), আলথেয়া পেকাস (জন্ম – ২৭ জুলাই, ১৯৩৮) ), টেরেসা হেডিঞ্জার (জন্ম ৯ জুন, ১৯৪০), রোজমেরি ডিসুজা (জন্ম ৩০ মার্চ ১৯৪৩) এবং সবার শেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জন্মেছিলেন ইউজেনিয়া কার্টার।

এই স্বীকৃতির পর ডি’ক্রুজ পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বিশ্বরেকর্ড তাদের কাছে সবথেকে ভালো লাগার এবং গর্বের। উল্লেখ্য, বর্তমানে এই পরিবারের সদস্যরা কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সুইজারল্যান্ডে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও, তাদের প্রত্যেকেরই জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের করাচিতে। বাবা-মা ছিলেন মাইকেল এবং সিসিলিয়া ডি’ক্রুজ। বছরে অন্তত তিনবার বড় বড় ছুটিতে তাদের একে অপরের সঙ্গে দেখা হয়। তবে এই বছর মহামারিজনিত কারণে পারিবারিক জমায়েত বাতিল করতে হয়েছে। তবে, নিউ-নরমালের সঙ্গে মানিয়ে ডি’ক্রুজ-রা মিলিত হন অনলাইন সাক্ষাতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

বিশ্বরেকর্ড পাকিস্তান বংশোদ্ভূত পরিবারের, ভাইবোনদের সম্মিলিত বয়স ১০৪২

আপডেট সময় ১১:১৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বরেকর্ড গড়ল পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ডি’ক্রুজ পরিবার। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে নাম উঠেছে এই পরিবারের। জানা গেছে, একই পরিবারের জীবিত ভাইবোনদের সর্বাধিক সম্মিলিত বয়সের জন্য তাদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যাদের ১২ ভাই-বোনের সম্মিলিত বয়স এখন ১০৪২ বছর এবং ৩১৫ দিন (গত ১৬ ডিসেম্বর তাদের নাম নথিভুক্ত করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড)। খবর সিএনএন এর।

তাদের প্রত্যেকের বয়স ৯৭ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। ডি’ক্রুজ পরিবার বলছে, এই রেকর্ড তাদের জীবনের অন্যতম প্রধান স্বীকৃতি। দ্য হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ডি’ক্রুজ পরিবারের নয় বোন এবং তিন ভাই-এর সবার বড় ডোরেন লুইস জন্মেছিলেন ১৯২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। তারপর একে একে জন্মান প্যাট্রিক ডিক্রুজ (জন্ম – ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৫), জেনেভিউ ফ্যালকাও (জন্ম – ৪ জুলাই ১৯২৭), জয়েস ডিসুজা (জন্ম – ২ মার্চ, ১৯২৯), রোনাল্ড ডি’ক্রুজ (জন্ম – ২৪ অগাস্ট, ১৯৩০), বেরিল কনডিল্যাক (জন্ম – ২৬ আগস্ট ১৯৩২), জো ডি’ক্রুজ (জন্ম – ১৯ জুন, ১৯৩৪), ফ্রান্সেসকা লোবো (জন্ম: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৬), আলথেয়া পেকাস (জন্ম – ২৭ জুলাই, ১৯৩৮) ), টেরেসা হেডিঞ্জার (জন্ম ৯ জুন, ১৯৪০), রোজমেরি ডিসুজা (জন্ম ৩০ মার্চ ১৯৪৩) এবং সবার শেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জন্মেছিলেন ইউজেনিয়া কার্টার।

এই স্বীকৃতির পর ডি’ক্রুজ পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বিশ্বরেকর্ড তাদের কাছে সবথেকে ভালো লাগার এবং গর্বের। উল্লেখ্য, বর্তমানে এই পরিবারের সদস্যরা কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সুইজারল্যান্ডে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও, তাদের প্রত্যেকেরই জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের করাচিতে। বাবা-মা ছিলেন মাইকেল এবং সিসিলিয়া ডি’ক্রুজ। বছরে অন্তত তিনবার বড় বড় ছুটিতে তাদের একে অপরের সঙ্গে দেখা হয়। তবে এই বছর মহামারিজনিত কারণে পারিবারিক জমায়েত বাতিল করতে হয়েছে। তবে, নিউ-নরমালের সঙ্গে মানিয়ে ডি’ক্রুজ-রা মিলিত হন অনলাইন সাক্ষাতে।