ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।