ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

‘পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই, সবকিছু আগুনের পেটে চলে গেছে। গোয়ালের গরু থেকে গোলার ধান পর্যন্ত কিছুই বাকি নেই। সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কী খাবো, কীভাবে বাঁচবো ভেবে পাচ্ছি না’- কান্নাজড়িত কন্ঠে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা গ্রামের বৃদ্ধ সূর্যকান্ত রায়।

গত মঙ্গলবার বিকালে সূর্যকান্ত রায় (৭০) ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র রায়ের (৬৫) বসতঘর, পাকের ঘর ও গোয়াল ঘরসহ ৪টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত তিন দিন ধরে এ দুটি পরিবারের ১২ জন সদস্য অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বসত করছেন খোলা আকাশের নিচে।

অগ্নিকাণ্ডের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুনসহ কিছু মানবিক ব্যক্তি নগদ অর্থ, শাড়ি-লুঙ্গি, শীতবস্ত্র দিয়েছেন। তবে তাদের প্রয়োজনের তুলনায় এসব অপ্রতুল।

নারায়ণ চন্দ্র রায় বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমার ভাই সূর্যকান্ত রায়ের বসত ঘরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বাড়িটি বিলের ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় অন্য বাড়ির লোকজন ছুটে আসতে আসতে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের এখন নতুন করে ঘর তৈরি করার মতো কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। কীভাবে এখন জীবনযাপন করব ভেবে পাচ্ছি না।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে যতটুকু পেরেছি দিয়েছি। আগামীতে দলীয়ভাবে কিছু করার চেষ্টা করব। আমি এ অসহায় পরিবার দুটির সাহায্যে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।