ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পৃথিবীর দিকে বর্জ্য পদার্থ ছুড়ে মারে এলিয়েনরা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লোয়েব তার লেখায় দাবি করেছেন, এলিয়েনরা নাকি পৃথিবীতে উল্কার মতো বিভিন্ন বস্তু ঠেলে দিচ্ছে। বছরের শুরুতেই প্রকাশিত হয়েছে লোয়েবের বই ‘এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল: দ্য ফার্স্ট সাইন অফ ইন্টেলিজেন্ট লাইফ বিয়ন্ড আর্থ’ সেখানেই তিনি উল্লেখ করেছেন, মহাকাশের বর্জ্য মোটেই প্রাকৃতিক নয়, তা সৌরজগতের বাইরের এলিয়েনদের পাঠানো।

২০১৭ সালে একটি ধূমকেতুর অংশ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। হাওয়াইয়ের শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে । বহির্বিশ্বে ধূমকেতুর গতিপথ বোঝার লক্ষ্যে কাজে নেমে টেলিস্কোপটি এই ‘আউমুয়ামুয়া’র হদিশ পায়।

বস্তুটি কী, তা বুঝতে বিশদে গবেষণা শুরু করেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বোঝা যায়, ওটি একটি ধূমকেতুর অংশ। খুব দ্রুত গতিতে সৌরজগতের দিকে ধেয়ে আসছে। গতি দেখে বিজ্ঞানীদের প্রাথমিকভাবে সংশয় তৈরি হয় যে ধূমকেতুর অংশটি সৌরজগতের বাইরে থেকে ঢুকে পড়েছে গ্রহমণ্ডলীর বৃত্তে। তবে এ সম্পর্কে নতুন ধারণা দিল হার্ভার্ডের অধ্যাপক লোয়েবের বই। প্রকাশকের কথায়, ‘এই বস্তুটি অনেক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। আর তার নেপথ্যে রয়েছে দূরজগতের এলিয়েনরা। তাদের অস্তিত্ব প্রমাণে এটাই একমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।’

এর আগে একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন, ভিনগ্রহ থেকে তারা নাকি রেডিও সিগন্যাল পেয়েছেন। তাতেই এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে বলে প্রমাণের কথাও বলেন তারা। এরপর লোয়েবের বইয়ের দাবি।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘আউমুয়ামুয়া’ একটি গোলাকার চাকতি, যার বেধ ১ মিলিমিটারেরও কম। সৌরজগতের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। আর তা থেকেই তার ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে ওটি সৌরজগতের কোনও ধূমকেতু বা গ্রহাণুর পরিত্যক্ত অংশ নয়। এলিয়েনদের পাঠানো উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন কোনও বস্তু।

লোয়েব আরও মনে করেন, বহির্বিশ্বে প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কি না, থাকলেও তারা মানুষের চেয়ে উন্নত মস্তিষ্কসম্পন্ন কি না, তা বোঝা যায় তাদের পাঠানো বর্জ্য পদার্থ থেকেই। আর ‘আউমুয়ামুয়া’ তাদের পাঠানো তেমনই একটি জাঙ্ক বা বর্জ্য। তাই এর উপর গবেষণা এলিয়েনদের নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী হার্ভার্ডের অধ্যাপক। আমজনতার মধ্যেও এনিয়ে উৎসাহ কম নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পৃথিবীর দিকে বর্জ্য পদার্থ ছুড়ে মারে এলিয়েনরা!

আপডেট সময় ১০:০০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লোয়েব তার লেখায় দাবি করেছেন, এলিয়েনরা নাকি পৃথিবীতে উল্কার মতো বিভিন্ন বস্তু ঠেলে দিচ্ছে। বছরের শুরুতেই প্রকাশিত হয়েছে লোয়েবের বই ‘এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল: দ্য ফার্স্ট সাইন অফ ইন্টেলিজেন্ট লাইফ বিয়ন্ড আর্থ’ সেখানেই তিনি উল্লেখ করেছেন, মহাকাশের বর্জ্য মোটেই প্রাকৃতিক নয়, তা সৌরজগতের বাইরের এলিয়েনদের পাঠানো।

২০১৭ সালে একটি ধূমকেতুর অংশ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। হাওয়াইয়ের শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে । বহির্বিশ্বে ধূমকেতুর গতিপথ বোঝার লক্ষ্যে কাজে নেমে টেলিস্কোপটি এই ‘আউমুয়ামুয়া’র হদিশ পায়।

বস্তুটি কী, তা বুঝতে বিশদে গবেষণা শুরু করেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বোঝা যায়, ওটি একটি ধূমকেতুর অংশ। খুব দ্রুত গতিতে সৌরজগতের দিকে ধেয়ে আসছে। গতি দেখে বিজ্ঞানীদের প্রাথমিকভাবে সংশয় তৈরি হয় যে ধূমকেতুর অংশটি সৌরজগতের বাইরে থেকে ঢুকে পড়েছে গ্রহমণ্ডলীর বৃত্তে। তবে এ সম্পর্কে নতুন ধারণা দিল হার্ভার্ডের অধ্যাপক লোয়েবের বই। প্রকাশকের কথায়, ‘এই বস্তুটি অনেক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। আর তার নেপথ্যে রয়েছে দূরজগতের এলিয়েনরা। তাদের অস্তিত্ব প্রমাণে এটাই একমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।’

এর আগে একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন, ভিনগ্রহ থেকে তারা নাকি রেডিও সিগন্যাল পেয়েছেন। তাতেই এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে বলে প্রমাণের কথাও বলেন তারা। এরপর লোয়েবের বইয়ের দাবি।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘আউমুয়ামুয়া’ একটি গোলাকার চাকতি, যার বেধ ১ মিলিমিটারেরও কম। সৌরজগতের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। আর তা থেকেই তার ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে ওটি সৌরজগতের কোনও ধূমকেতু বা গ্রহাণুর পরিত্যক্ত অংশ নয়। এলিয়েনদের পাঠানো উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন কোনও বস্তু।

লোয়েব আরও মনে করেন, বহির্বিশ্বে প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কি না, থাকলেও তারা মানুষের চেয়ে উন্নত মস্তিষ্কসম্পন্ন কি না, তা বোঝা যায় তাদের পাঠানো বর্জ্য পদার্থ থেকেই। আর ‘আউমুয়ামুয়া’ তাদের পাঠানো তেমনই একটি জাঙ্ক বা বর্জ্য। তাই এর উপর গবেষণা এলিয়েনদের নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী হার্ভার্ডের অধ্যাপক। আমজনতার মধ্যেও এনিয়ে উৎসাহ কম নেই।