ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

পৃথিবীর দিকে বর্জ্য পদার্থ ছুড়ে মারে এলিয়েনরা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লোয়েব তার লেখায় দাবি করেছেন, এলিয়েনরা নাকি পৃথিবীতে উল্কার মতো বিভিন্ন বস্তু ঠেলে দিচ্ছে। বছরের শুরুতেই প্রকাশিত হয়েছে লোয়েবের বই ‘এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল: দ্য ফার্স্ট সাইন অফ ইন্টেলিজেন্ট লাইফ বিয়ন্ড আর্থ’ সেখানেই তিনি উল্লেখ করেছেন, মহাকাশের বর্জ্য মোটেই প্রাকৃতিক নয়, তা সৌরজগতের বাইরের এলিয়েনদের পাঠানো।

২০১৭ সালে একটি ধূমকেতুর অংশ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। হাওয়াইয়ের শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে । বহির্বিশ্বে ধূমকেতুর গতিপথ বোঝার লক্ষ্যে কাজে নেমে টেলিস্কোপটি এই ‘আউমুয়ামুয়া’র হদিশ পায়।

বস্তুটি কী, তা বুঝতে বিশদে গবেষণা শুরু করেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বোঝা যায়, ওটি একটি ধূমকেতুর অংশ। খুব দ্রুত গতিতে সৌরজগতের দিকে ধেয়ে আসছে। গতি দেখে বিজ্ঞানীদের প্রাথমিকভাবে সংশয় তৈরি হয় যে ধূমকেতুর অংশটি সৌরজগতের বাইরে থেকে ঢুকে পড়েছে গ্রহমণ্ডলীর বৃত্তে। তবে এ সম্পর্কে নতুন ধারণা দিল হার্ভার্ডের অধ্যাপক লোয়েবের বই। প্রকাশকের কথায়, ‘এই বস্তুটি অনেক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। আর তার নেপথ্যে রয়েছে দূরজগতের এলিয়েনরা। তাদের অস্তিত্ব প্রমাণে এটাই একমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।’

এর আগে একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন, ভিনগ্রহ থেকে তারা নাকি রেডিও সিগন্যাল পেয়েছেন। তাতেই এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে বলে প্রমাণের কথাও বলেন তারা। এরপর লোয়েবের বইয়ের দাবি।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘আউমুয়ামুয়া’ একটি গোলাকার চাকতি, যার বেধ ১ মিলিমিটারেরও কম। সৌরজগতের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। আর তা থেকেই তার ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে ওটি সৌরজগতের কোনও ধূমকেতু বা গ্রহাণুর পরিত্যক্ত অংশ নয়। এলিয়েনদের পাঠানো উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন কোনও বস্তু।

লোয়েব আরও মনে করেন, বহির্বিশ্বে প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কি না, থাকলেও তারা মানুষের চেয়ে উন্নত মস্তিষ্কসম্পন্ন কি না, তা বোঝা যায় তাদের পাঠানো বর্জ্য পদার্থ থেকেই। আর ‘আউমুয়ামুয়া’ তাদের পাঠানো তেমনই একটি জাঙ্ক বা বর্জ্য। তাই এর উপর গবেষণা এলিয়েনদের নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী হার্ভার্ডের অধ্যাপক। আমজনতার মধ্যেও এনিয়ে উৎসাহ কম নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পৃথিবীর দিকে বর্জ্য পদার্থ ছুড়ে মারে এলিয়েনরা!

আপডেট সময় ১০:০০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লোয়েব তার লেখায় দাবি করেছেন, এলিয়েনরা নাকি পৃথিবীতে উল্কার মতো বিভিন্ন বস্তু ঠেলে দিচ্ছে। বছরের শুরুতেই প্রকাশিত হয়েছে লোয়েবের বই ‘এক্সট্রাটেরিস্ট্রিয়াল: দ্য ফার্স্ট সাইন অফ ইন্টেলিজেন্ট লাইফ বিয়ন্ড আর্থ’ সেখানেই তিনি উল্লেখ করেছেন, মহাকাশের বর্জ্য মোটেই প্রাকৃতিক নয়, তা সৌরজগতের বাইরের এলিয়েনদের পাঠানো।

২০১৭ সালে একটি ধূমকেতুর অংশ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে। হাওয়াইয়ের শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপে এর অস্তিত্ব ধরা পড়ে । বহির্বিশ্বে ধূমকেতুর গতিপথ বোঝার লক্ষ্যে কাজে নেমে টেলিস্কোপটি এই ‘আউমুয়ামুয়া’র হদিশ পায়।

বস্তুটি কী, তা বুঝতে বিশদে গবেষণা শুরু করেন নাসার বিজ্ঞানীরা। বোঝা যায়, ওটি একটি ধূমকেতুর অংশ। খুব দ্রুত গতিতে সৌরজগতের দিকে ধেয়ে আসছে। গতি দেখে বিজ্ঞানীদের প্রাথমিকভাবে সংশয় তৈরি হয় যে ধূমকেতুর অংশটি সৌরজগতের বাইরে থেকে ঢুকে পড়েছে গ্রহমণ্ডলীর বৃত্তে। তবে এ সম্পর্কে নতুন ধারণা দিল হার্ভার্ডের অধ্যাপক লোয়েবের বই। প্রকাশকের কথায়, ‘এই বস্তুটি অনেক উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। আর তার নেপথ্যে রয়েছে দূরজগতের এলিয়েনরা। তাদের অস্তিত্ব প্রমাণে এটাই একমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রমাণ।’

এর আগে একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন, ভিনগ্রহ থেকে তারা নাকি রেডিও সিগন্যাল পেয়েছেন। তাতেই এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে বলে প্রমাণের কথাও বলেন তারা। এরপর লোয়েবের বইয়ের দাবি।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘আউমুয়ামুয়া’ একটি গোলাকার চাকতি, যার বেধ ১ মিলিমিটারেরও কম। সৌরজগতের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। আর তা থেকেই তার ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে যে ওটি সৌরজগতের কোনও ধূমকেতু বা গ্রহাণুর পরিত্যক্ত অংশ নয়। এলিয়েনদের পাঠানো উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন কোনও বস্তু।

লোয়েব আরও মনে করেন, বহির্বিশ্বে প্রাণীর অস্তিত্ব আছে কি না, থাকলেও তারা মানুষের চেয়ে উন্নত মস্তিষ্কসম্পন্ন কি না, তা বোঝা যায় তাদের পাঠানো বর্জ্য পদার্থ থেকেই। আর ‘আউমুয়ামুয়া’ তাদের পাঠানো তেমনই একটি জাঙ্ক বা বর্জ্য। তাই এর উপর গবেষণা এলিয়েনদের নিয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবে বলে আত্মবিশ্বাসী হার্ভার্ডের অধ্যাপক। আমজনতার মধ্যেও এনিয়ে উৎসাহ কম নেই।