ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে উন্নয়নে বৈষম্য করলে প্রয়োজনে বাঘের গর্জন করা হবে: ডা. শফিকুর বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী এক মাসে চার হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা-আগুন শুধু আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল আলোচনার মধ্যেই গালিবাফ-আরাঘচিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে ইসরাইল, যেভাবে তাদের রক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে শেড-চেয়ার রাখার নির্দেশ শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

মেয়েকে অস্বীকার বাবার, দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা

আপডেট সময় ১২:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রায় ১২ বছর আগে বিয়ে হয়েছে মাকসুদা বেগমের। স্বামী মান্নান জোমাদ্দার ও তিন বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু বিধিবাম একপর্যায়ে স্বামী তাকে ও সন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন।

এর পর তাদের ঢাকায় রেখে নিজ এলাকায় পালিয়ে যান স্বামী। এখন শিশুর পিতৃ পরিচয় ও তার স্বীকৃতির জন্য দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন মাকসুদা বেগম।

সোমবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ভুক্তভোগী মাকসুদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ কথাগুলো জানান।

তিনি বলেন, আমার সংসারে তিন বছরের একটি কন্যাসন্তান আছে। তার নাম তাইয়্যেবা। তাকে নিয়ে আমি এখন মানবতার জীবনযাপন করছি। এখন কোথায় যাব? কার কাছে যাব; কি করব? কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

তার অভিযোগ, সম্প্রতি কন্যাসন্তানকে নিয়ে স্বামী মান্নান জোমাদ্দারের বাড়িতে গেলে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনি সহায়তা পাচ্ছি না।

জানা যায়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের রবিপুর গ্রামের মৃত হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে মান্নান জোমাদ্দার ২০০৯ সালে একই গ্রামের মৃত মুনসুর আলী খানের মেয়ে মাকসুদা বেগমকে আইন মোতাবেক বিয়ে করেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকার একটি ভাড়া বাসায় কয়েক বছর সংসার করেন। এরই মধ্যে তাদের তাইয়্যেবা নামে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্বামী মান্নান তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাসন্তানকে অস্বীকার করতে শুরু করেন। একপর্যায় তাদের ঢাকা রেখে তার নিজ এলাকায় পালিয়ে আসেন। উপায় না পেয়ে মাকসুদা বেগম তার সন্তান তাইয়্যেবাকে নিয়ে তার বাবা বাড়ি চলে আসেন।

ওই থেকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তার ও তার মেয়ের পিতৃত্ব পরিচয় ও তার স্বীকৃতি পেতে স্থানীয় সালিশদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন। এর পরও তিনি স্বীকৃতি পাননি।

এ বিষয় জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছেন ওই নারী, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।