আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামুন্দিতে রুবিনা খাতুন (২০) নামের এক নারীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। রুবিনা খাতুন সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের মিলন হোসেনের স্ত্রী। নিহত রুবিনা স্বামী মিলন হোসেনের চাকুরীর সুবাদে গাংনী উপজেলার বামুন্দিতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। তাদের দুই বছর বয়সী এক কন্যা শিশু রয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে ওই নারীকে মৃত অবস্থায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় তার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের লোকজন। যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে আগুনে পুড়িয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রুবিনার পরিবারের।
রুবিনার নানী পারুলী বেগম বলেন, রুবিনার সঙ্গে তিন বছর আগে মিলনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মিলনকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে ১ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে সে প্রায়ই রুবিনাকে নির্যাতন করত। মিলনের মা সিফারা খাতুনের কথা শুনে মিলন বিভিন্ন সময় আমাদের সাথে টাকা দাবি করতো। অশান্তির এক পর্যায়ে তারা বামন্দিতে বাসা ভাড়া নিয়ে চলে যায়। সেখানে প্রতি সপ্তাহে মিলনের মা গিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করে। পরে আমাদের পরিবারে পক্ষে যৌতুকের ওই টাকা দেওয়া সম্ভব না বলে মিলনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে রুবিনার মৃত্যুর খবর পান বলে জানান তিনি।
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাবিবুর রহমান বলেন, সকাল ৬টার দিকে এক ব্যক্তি ওই নারীকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনেন। এ সময় চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর থেকে মিলন পলাতক রয়েছে। নিহত নারীর সমস্ত শরীর ঝলসে গেছে। তবে কিভাবে কেন পুড়িয়ে হত্যা করা হলো তা তদন্তে এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যাবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























