ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রিয়ার ‘দুই বাবা’ সুশান্তকে হত্যার ছক কষেছিল: জিম প্রশিক্ষক

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :  

সুশান্ত-মৃত্যু নিয়ে চলছে সিবিআই তদন্ত। এর মধ্যেই সুশান্তের জিম ইন্সট্রাক্টর সুনীল শুক্ল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

সুনীল বলেন, ‘রিয়া চক্রবর্তীর দুই বাবাই সুশান্ত হত্যার জাল বুনেছিলেন। ’ সুনীল তার বক্তব্যের সপক্ষে বলেন, ‘রিয়ার প্রথম বাবা চিকিৎসক ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী এবং রিয়ার ‘সুগার ড্যাডি’ মহেশ ভাট দু’জনে এই হত্যার জাল বিছিয়েছেন। রিয়ার বাবা নিয়মিত সুশান্তকে ওষুধ দিতেন। এমনকি ৮ জুন রিয়া সুশান্তের বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পরেও কেউ সুশান্তকে রোজ ওষুধ দিতেন। তখন তো রান্নার লোক নীরাজ, বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানি আর পরিচারক দীপেশ সাওয়ান্ত বাড়িতে থাকত। তা হলে?’

সুশান্তের মৃত্যুর রহস্য ঘিরে একের পর এক প্রশ্নও তৈরি হচ্ছে, যার সমাধান খুঁজছে সিবিআই। সুনীল আরও জানান, সুশান্তের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সুশান্ত জিম করতেন আর মাল্টিভিটামিন খেতেন। সুশান্তের মৃত্যু যে সাধারণ নয়, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।

এর মধ্যে রোববারেই সিবিআইয়ের একটি দল মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালে যায়। এখানেই সুশান্তের দেহের ময়না-তদন্ত হয়েছিল। হাসপাতালের ডিন এবং যে ক’জন চিকিৎসক ময়না-তদন্ত করেছিলেন, তাদের সকলের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।

অন্যদিকে সুশান্তের কাকাত ভাই এবং বিজেপি নেতা বাবলু অভিযোগ করেন, সুশান্তের মৃত্যুর পেছনে কিছু ডাক্তারও জড়িত আছেন। তার আরও অভিযোগ, সুশান্তের দুই কাছের বন্ধু সিদ্ধার্থ এবং সন্দীপও ‘চক্রান্তে’ জড়িত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ার ‘দুই বাবা’ সুশান্তকে হত্যার ছক কষেছিল: জিম প্রশিক্ষক

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :  

সুশান্ত-মৃত্যু নিয়ে চলছে সিবিআই তদন্ত। এর মধ্যেই সুশান্তের জিম ইন্সট্রাক্টর সুনীল শুক্ল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

সুনীল বলেন, ‘রিয়া চক্রবর্তীর দুই বাবাই সুশান্ত হত্যার জাল বুনেছিলেন। ’ সুনীল তার বক্তব্যের সপক্ষে বলেন, ‘রিয়ার প্রথম বাবা চিকিৎসক ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী এবং রিয়ার ‘সুগার ড্যাডি’ মহেশ ভাট দু’জনে এই হত্যার জাল বিছিয়েছেন। রিয়ার বাবা নিয়মিত সুশান্তকে ওষুধ দিতেন। এমনকি ৮ জুন রিয়া সুশান্তের বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পরেও কেউ সুশান্তকে রোজ ওষুধ দিতেন। তখন তো রান্নার লোক নীরাজ, বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানি আর পরিচারক দীপেশ সাওয়ান্ত বাড়িতে থাকত। তা হলে?’

সুশান্তের মৃত্যুর রহস্য ঘিরে একের পর এক প্রশ্নও তৈরি হচ্ছে, যার সমাধান খুঁজছে সিবিআই। সুনীল আরও জানান, সুশান্তের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সুশান্ত জিম করতেন আর মাল্টিভিটামিন খেতেন। সুশান্তের মৃত্যু যে সাধারণ নয়, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।

এর মধ্যে রোববারেই সিবিআইয়ের একটি দল মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতালে যায়। এখানেই সুশান্তের দেহের ময়না-তদন্ত হয়েছিল। হাসপাতালের ডিন এবং যে ক’জন চিকিৎসক ময়না-তদন্ত করেছিলেন, তাদের সকলের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।

অন্যদিকে সুশান্তের কাকাত ভাই এবং বিজেপি নেতা বাবলু অভিযোগ করেন, সুশান্তের মৃত্যুর পেছনে কিছু ডাক্তারও জড়িত আছেন। তার আরও অভিযোগ, সুশান্তের দুই কাছের বন্ধু সিদ্ধার্থ এবং সন্দীপও ‘চক্রান্তে’ জড়িত।