ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

কান্না থামাতে পারেননি নেইমার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

২০১৭ সালে আলোড়ন সৃষ্টি করে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে পাড়ি জমিয়েছিলেন নেইমার। ফরাসি দলটিতে ব্রাজিলিয়ান তারকার আসার বড় কারণটাই ছিল লিওনেল মেসির ছায়া থেকে বেরিয়ে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।

কেননা পিএসজি বরাবরই ঘরোয়া চ্যাম্পিয়ন।

অবশেষে নেইমারের সামনে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। গত কয়েকবছর চেষ্টা করে সফল না হলেও এবার দাপট দেখিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় পিএসজি। প্যারিসে শীর্ষ এই ক্লাবের অধরা শিরোপা জয় হবে, এমন পরিকল্পনা অনেকেই করে ফেলেছিলেন। কিন্তু রেফারির শেষ বাঁশি বাজলে ফলাফল হেলে পড়ে ফাইনালের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখের দিকে। কিংসলে কোম্যানের ৫৯তম মিনিটের একমাত্র গোলে ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস লিগ ঘরে তোলে জার্মান বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা।

সেইসঙ্গে কান্না ভেঙে পড়েন নেইমারসহ পুরো পিএসজি দল। নেইমারকে যেন আবেগটা একটু বেশিই ছুঁয়ে যায়। বারবার টিভি ক্যামেরায় তার চোখ ছল ছল চেহার দেখা যায়। হ্যাঁ লিসবনের দ্য স্তাদিও দা লুজের রাতটি নেইমারের ছিল না। নইলে অন টার্গেটে এতগুলো শট করেও কেন গোলের দেখা পেল না পিএসজি। যদিও বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার বাধা বরাবরই প্রচীরের মতো ছিল।

ম্যাচ শেষে কান্নাজড়িত নেইমারকে শান্ত্বনা দেন কোচ টমাস টুখেল, ক্লাব প্রেসিডেন্ট নাসের আল-খেলাইফি। এমনকি প্রতিপক্ষ কোচ হ্যান্স ফ্লিকও এগিয়ে আসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কান্না থামাতে পারেননি নেইমার

আপডেট সময় ০৮:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

২০১৭ সালে আলোড়ন সৃষ্টি করে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে পাড়ি জমিয়েছিলেন নেইমার। ফরাসি দলটিতে ব্রাজিলিয়ান তারকার আসার বড় কারণটাই ছিল লিওনেল মেসির ছায়া থেকে বেরিয়ে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।

কেননা পিএসজি বরাবরই ঘরোয়া চ্যাম্পিয়ন।

অবশেষে নেইমারের সামনে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। গত কয়েকবছর চেষ্টা করে সফল না হলেও এবার দাপট দেখিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় পিএসজি। প্যারিসে শীর্ষ এই ক্লাবের অধরা শিরোপা জয় হবে, এমন পরিকল্পনা অনেকেই করে ফেলেছিলেন। কিন্তু রেফারির শেষ বাঁশি বাজলে ফলাফল হেলে পড়ে ফাইনালের প্রতিপক্ষ বায়ার্ন মিউনিখের দিকে। কিংসলে কোম্যানের ৫৯তম মিনিটের একমাত্র গোলে ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস লিগ ঘরে তোলে জার্মান বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নরা।

সেইসঙ্গে কান্না ভেঙে পড়েন নেইমারসহ পুরো পিএসজি দল। নেইমারকে যেন আবেগটা একটু বেশিই ছুঁয়ে যায়। বারবার টিভি ক্যামেরায় তার চোখ ছল ছল চেহার দেখা যায়। হ্যাঁ লিসবনের দ্য স্তাদিও দা লুজের রাতটি নেইমারের ছিল না। নইলে অন টার্গেটে এতগুলো শট করেও কেন গোলের দেখা পেল না পিএসজি। যদিও বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়ার বাধা বরাবরই প্রচীরের মতো ছিল।

ম্যাচ শেষে কান্নাজড়িত নেইমারকে শান্ত্বনা দেন কোচ টমাস টুখেল, ক্লাব প্রেসিডেন্ট নাসের আল-খেলাইফি। এমনকি প্রতিপক্ষ কোচ হ্যান্স ফ্লিকও এগিয়ে আসেন।