ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পিএসজি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা সাত মৌসুম নক আউট পর্ব থেকে বিদায়। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে প্রথম চারবার, পরের তিনবার দ্বিতীয় রাউন্ড। এই সময়ে ফ্রান্সের সিংহাসনে গেঁড়ে বসেছে প্যারিসিয়ানরা। কিন্তু আলোচনা-সমালোচনা আর বিতর্ক সঙ্গী করে পিএসজি এতোদিন ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার স্বাদ নিতে ফাইনাল অবধি পৌঁছাতে পারেনি। সেই খরা কাটলো এবার। ক্লাব প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশতম বর্ষে এসে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেল তারা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে লিপজিগ এর বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে ফাইনালে উঠে পিএসজি।

লিসবনে গোটা ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে পিএসজি। প্রথমবার দুই দল কোনও প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হয়েছিল। অচেনা প্রতিপক্ষের এই লড়াইয়ে মোটেও পাত্তা পায়নি লাইপজিগ। ষষ্ঠ মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ নষ্ট হয় নেইমারের। কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস থেকে শুধু লিপজিগ গোলরক্ষক পিটার গুলাকসিকে পেয়েও ব্যর্থ হন তিনি। তার শট দূরের পোস্টে আঘাত করে।

পরের মিনিটে জার্মান ক্লাবের জালে বল ঢুকেছিল। কিন্তু নেইমারের হ্যান্ডবলের কারণে গোলদাতার খাতায় নাম লিখতে পারেননি এমবাপ্পে, রেফারি গোল বাতিল করে দেন। তবে স্বস্তির গোলের দেখা পিএসজি পায় ১৩ মিনিটে। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের দুর্দান্ত হেডে ১-০ হয় স্কোর।

একটু পর এমবাপ্পেকে লিপজিগ গোলরক্ষক ঠেকিয়ে না দিলে পিএসজি পেয়ে যেতে পারত দ্বিতীয় গোল। এরপর সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল লিপজিগ। কিন্তু কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয় তারা। ৩৬ মিনিটে নেইমারের নেয়া ফ্রিকিক পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় পিএসজি। ম্যাচের ৪২ মিনিটে পিএসজি ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন ডি মারিয়া। বিরতির আগেই দুই গোলের লিড নেয় ফরাসি জায়ান্টরা।

বিরতির পরপর লিপজিগ মরিয়া চেষ্টা চালায় ব্যবধান কমাতে। বেশ কয়েকবার পিএসজি ডিফেন্সে হামলাও চালায় তারা। তবে কাঙ্খিত গোল পাওয়া হয়নি। উল্টো ৫৬ মিনিটে জুয়ান বার্নেটের গোলে ব্যবধান ৩-০ করে পিএসজি। এই গোলে ফাইনালের পথ অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলে পিএসজি। এরপর দু দলই সুযোগ পেয়েছিল গোল করার। কিন্তু কেউ আর গোল আদায় করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানে জয়ে ফাইনালের টিকিট নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেইমার-এমবাপ্পেরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পিএসজি

আপডেট সময় ০৮:২৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা সাত মৌসুম নক আউট পর্ব থেকে বিদায়। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে প্রথম চারবার, পরের তিনবার দ্বিতীয় রাউন্ড। এই সময়ে ফ্রান্সের সিংহাসনে গেঁড়ে বসেছে প্যারিসিয়ানরা। কিন্তু আলোচনা-সমালোচনা আর বিতর্ক সঙ্গী করে পিএসজি এতোদিন ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার স্বাদ নিতে ফাইনাল অবধি পৌঁছাতে পারেনি। সেই খরা কাটলো এবার। ক্লাব প্রতিষ্ঠার পঞ্চাশতম বর্ষে এসে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেল তারা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে লিপজিগ এর বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে ফাইনালে উঠে পিএসজি।

লিসবনে গোটা ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে পিএসজি। প্রথমবার দুই দল কোনও প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি হয়েছিল। অচেনা প্রতিপক্ষের এই লড়াইয়ে মোটেও পাত্তা পায়নি লাইপজিগ। ষষ্ঠ মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ নষ্ট হয় নেইমারের। কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস থেকে শুধু লিপজিগ গোলরক্ষক পিটার গুলাকসিকে পেয়েও ব্যর্থ হন তিনি। তার শট দূরের পোস্টে আঘাত করে।

পরের মিনিটে জার্মান ক্লাবের জালে বল ঢুকেছিল। কিন্তু নেইমারের হ্যান্ডবলের কারণে গোলদাতার খাতায় নাম লিখতে পারেননি এমবাপ্পে, রেফারি গোল বাতিল করে দেন। তবে স্বস্তির গোলের দেখা পিএসজি পায় ১৩ মিনিটে। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের দুর্দান্ত হেডে ১-০ হয় স্কোর।

একটু পর এমবাপ্পেকে লিপজিগ গোলরক্ষক ঠেকিয়ে না দিলে পিএসজি পেয়ে যেতে পারত দ্বিতীয় গোল। এরপর সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল লিপজিগ। কিন্তু কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয় তারা। ৩৬ মিনিটে নেইমারের নেয়া ফ্রিকিক পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় পিএসজি। ম্যাচের ৪২ মিনিটে পিএসজি ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন ডি মারিয়া। বিরতির আগেই দুই গোলের লিড নেয় ফরাসি জায়ান্টরা।

বিরতির পরপর লিপজিগ মরিয়া চেষ্টা চালায় ব্যবধান কমাতে। বেশ কয়েকবার পিএসজি ডিফেন্সে হামলাও চালায় তারা। তবে কাঙ্খিত গোল পাওয়া হয়নি। উল্টো ৫৬ মিনিটে জুয়ান বার্নেটের গোলে ব্যবধান ৩-০ করে পিএসজি। এই গোলে ফাইনালের পথ অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলে পিএসজি। এরপর দু দলই সুযোগ পেয়েছিল গোল করার। কিন্তু কেউ আর গোল আদায় করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তিন গোলের ব্যবধানে জয়ে ফাইনালের টিকিট নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেইমার-এমবাপ্পেরা।