ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভাগ্নেকে বাঁচাতে না পেরে নির্বাক সৌরভ

আপডেট সময় ০৭:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

পুরান ঢাকার সাতরওজা এলাকার একটি পিভিসি পাইপ কারখানার কিশোর শ্রমিক সৌরভ (১৭)। তার দুই ভাগ্নে সাইফুল (১৭) ও সায়েম (১৯) ওই কারখানাতেই কাজ করতো। ওই এলাকায় একটি মেসে এক সঙ্গে থাকতো তারা।

প্রতি সপ্তাহেই তারা গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ যায়। এ সপ্তাহে নির্ধারিত ছুটির একদিন পর সোমবার (২৯ জুন) তারা বাড়ি থেকে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চে করে কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু কাজে যোগ দেওয়া হলো না তাদের।

সদরঘাটে নোঙর করার আগ মুহূর্তে ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি। তখন সৌরভ এক ভাগ্নে সাইফুলকে নিয়ে সাঁতরে একটি ট্রলারে ওঠতে পারলেও সায়েম নিখোঁজ হয়। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে সায়েমের মরদেহ শনাক্ত করে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় সৌরভ।

সৌরভ বলেন, শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি প্রায় সদরঘাট পর্যন্ত চলে এলেও ঘাটে নোঙর করার আগেই পেছন থেকে বড় একটি লঞ্চ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা লেগেই লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। অল্প কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীই নিখোঁজ হয়।