ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমপি মমতাজের ফুটবল খেলার ছবি ভাইরাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ফুটবল খেলার একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটি তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে তোলা।

জানা গেছে, রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে থাকেন মমতাজ। করোনা মহামারীর কারণে এক রকম গৃহবন্দী থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন তিনি। সন্তানরাও চাচ্ছিল শহরের কোলাহল থেকে দূরে যেতে। তাই গত বৃহস্পতিবার মমতাজ চলে যান তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে। সেখানে তিনি ফুটবল খেলে, ঘুড়ি উড়িয়েও সময় কাটাচ্ছেন।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সেই খবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ারও করেন এই সংগীতশিল্পী।

এরপরই মমতাজের ফুটবল খেলার ছবিটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

মমতাজ বলেন, বদ্ধ জায়গায় যত সুযোগ-সুবিধাই থাকুক না কেন, একটা সময় অস্থিরতা আসবেই। বাসার সবাই অস্থির হয়ে গেছে। গ্রামে যেহেতু খোলামেলা জায়গা আছে, ভাবলাম, আমার বাচ্চারা এই খোলামেলা জায়গায় ভালোই থাকবে। তা না হলে মানসিকভাবে তারা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে মিলে ফুটবল খেলছি, ঘুড়ি ওড়াচ্ছি। আমার বাড়ির পাশেই নার্সারি, সেখান থেকে ফলের গাছ এনে লাগিয়েছি।’

মমতাজ জানান, তার সন্তানরা গ্রামের বাড়িতে ভীষণ মজা করছে। সপ্তাহখানেক পার হয়ে গেলেও ঢাকায় ফেরা নিয়ে কেউ কিছুই বলছে না। তাদের ভালো লাগছে দেখে, তিনিও খুশি। ঢাকায় ফেরা নির্ভর করছে তাদের ওপর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি মমতাজের ফুটবল খেলার ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের ফুটবল খেলার একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটি তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে তোলা।

জানা গেছে, রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে থাকেন মমতাজ। করোনা মহামারীর কারণে এক রকম গৃহবন্দী থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন তিনি। সন্তানরাও চাচ্ছিল শহরের কোলাহল থেকে দূরে যেতে। তাই গত বৃহস্পতিবার মমতাজ চলে যান তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে। সেখানে তিনি ফুটবল খেলে, ঘুড়ি উড়িয়েও সময় কাটাচ্ছেন।

এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সেই খবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ারও করেন এই সংগীতশিল্পী।

এরপরই মমতাজের ফুটবল খেলার ছবিটি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

মমতাজ বলেন, বদ্ধ জায়গায় যত সুযোগ-সুবিধাই থাকুক না কেন, একটা সময় অস্থিরতা আসবেই। বাসার সবাই অস্থির হয়ে গেছে। গ্রামে যেহেতু খোলামেলা জায়গা আছে, ভাবলাম, আমার বাচ্চারা এই খোলামেলা জায়গায় ভালোই থাকবে। তা না হলে মানসিকভাবে তারা আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে মিলে ফুটবল খেলছি, ঘুড়ি ওড়াচ্ছি। আমার বাড়ির পাশেই নার্সারি, সেখান থেকে ফলের গাছ এনে লাগিয়েছি।’

মমতাজ জানান, তার সন্তানরা গ্রামের বাড়িতে ভীষণ মজা করছে। সপ্তাহখানেক পার হয়ে গেলেও ঢাকায় ফেরা নিয়ে কেউ কিছুই বলছে না। তাদের ভালো লাগছে দেখে, তিনিও খুশি। ঢাকায় ফেরা নির্ভর করছে তাদের ওপর।