ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি

বিশ্বকাপ ফাইনালে দুর্নীতির সত্যতা চান মাহেলা-সাঙ্গাকারা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে ভারত। আর তাতে ভারতের ২৮ বছরের আক্ষেপ ঘোচায় মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। বিশ্বকাপের ফাইনালের ম্যাচটি পাতানো ছিল বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মাহিন্দানন্দ আলুথাগমাগে।

শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী ও বর্তমানে আছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মাহিন্দানন্দ আলুথাগমাগের এমন মন্তব্যের সত্যতা চেয়ে টুইট করেছেন লঙ্কানদের সাবেক দুই অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে।

সম্প্রতি সিরিসা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহিন্দানন্দ বলেন, ‘আজ একটা কথা বলছি, আমরা ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালটি বিক্রি করেছি। এমনকি আমি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হয়েও এই কথাই বিশ্বাস করি।’

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন মাহিন্দানন্দ। বর্তমানে আছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। তিনি সেই ম্যাচের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০১১ এর ফাইনালে আমরা জয়ের পথেই ছিলাম। কিন্তু আমরা ম্যাচটা বিক্রি করেছি। আমার মনে হয় এখন এটা নিয়ে কথা বলা যায়। খেলোয়াড়দের আমি জড়াচ্ছি না, কিন্তু কিছু জায়গা তারাও জড়িত ছিল।’

তার এমন মন্তব্যের পর সেই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহেলা জয়াবর্ধনে টুইট করে পাতানো ম্যাচের অভিযোগের প্রমাণ দিতে বলেছেন আলুথগামাগেকে। তিনি লেখেন, ‘নির্বাচন কি খুব কাছে? মনে হচ্ছে সার্কাস শুরু হয়ে গেছে। নাম ও প্রমাণ কই?’

এছাড়া ক্ষোভ ঝেড়েছেন সেই ম্যাচে লঙ্কানদের অধিনায়কত্ব করা সাঙ্গাকারাও। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ আলুথগামাগের কাছে যে ‘প্রমাণ’ আছে সেটা তো আইসিসি ও দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের কাছে নিয়ে যাওয়া দরকার। এতে অভিযোগের পূর্ণ তদন্ত হতে পারে। এটাই বুঝতে পারছি না যে, এমন মারাত্মক একটি বিষয় সামনে আনার জন্য তিনি এতদিন অপেক্ষা করেছেন!’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের

বিশ্বকাপ ফাইনালে দুর্নীতির সত্যতা চান মাহেলা-সাঙ্গাকারা

আপডেট সময় ০৯:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে ভারত। আর তাতে ভারতের ২৮ বছরের আক্ষেপ ঘোচায় মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। বিশ্বকাপের ফাইনালের ম্যাচটি পাতানো ছিল বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মাহিন্দানন্দ আলুথাগমাগে।

শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী ও বর্তমানে আছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মাহিন্দানন্দ আলুথাগমাগের এমন মন্তব্যের সত্যতা চেয়ে টুইট করেছেন লঙ্কানদের সাবেক দুই অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে।

সম্প্রতি সিরিসা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহিন্দানন্দ বলেন, ‘আজ একটা কথা বলছি, আমরা ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালটি বিক্রি করেছি। এমনকি আমি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হয়েও এই কথাই বিশ্বাস করি।’

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী ছিলেন মাহিন্দানন্দ। বর্তমানে আছেন নবায়নযোগ্য জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। তিনি সেই ম্যাচের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০১১ এর ফাইনালে আমরা জয়ের পথেই ছিলাম। কিন্তু আমরা ম্যাচটা বিক্রি করেছি। আমার মনে হয় এখন এটা নিয়ে কথা বলা যায়। খেলোয়াড়দের আমি জড়াচ্ছি না, কিন্তু কিছু জায়গা তারাও জড়িত ছিল।’

তার এমন মন্তব্যের পর সেই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মাহেলা জয়াবর্ধনে টুইট করে পাতানো ম্যাচের অভিযোগের প্রমাণ দিতে বলেছেন আলুথগামাগেকে। তিনি লেখেন, ‘নির্বাচন কি খুব কাছে? মনে হচ্ছে সার্কাস শুরু হয়ে গেছে। নাম ও প্রমাণ কই?’

এছাড়া ক্ষোভ ঝেড়েছেন সেই ম্যাচে লঙ্কানদের অধিনায়কত্ব করা সাঙ্গাকারাও। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দ আলুথগামাগের কাছে যে ‘প্রমাণ’ আছে সেটা তো আইসিসি ও দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটের কাছে নিয়ে যাওয়া দরকার। এতে অভিযোগের পূর্ণ তদন্ত হতে পারে। এটাই বুঝতে পারছি না যে, এমন মারাত্মক একটি বিষয় সামনে আনার জন্য তিনি এতদিন অপেক্ষা করেছেন!’