ঢাকা ১২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

যে কারণে রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে ঝুঁকি ৫০ ভাগ বেশি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রক্তের গ্রুপ যাদের ‘এ পজেটিভ’ বা ‘এ নেগেটিভ’ তাদের গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও বেশি।

ভেন্টিলেটর লাগার সম্ভাবনাও অন্য গ্রুপগুলোর থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এই ধরণের রক্তের গ্রুপ যাদের রয়েছে তারা অনেক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

মানবদেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শক্তি নিয়ে ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের এক গবেষনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

এতে বলা হয়েছে, এটাই প্রথম গবেষণা যাতে কোভিড -১৯’র সঙ্গে জিনগত প্রভাবের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে। জিনগত বৈচিত্র্যের কারণেই কোভিড -১৯ আক্রান্তদের মধ্যে আলাদা আলাদা প্রভাব দেখা যায়।

এতদিন শুধু ধারণা করা হয়েছে, কোভিড -১৯শে আক্রান্ত হলে রোগির অবস্থা গুরুতর হবে কিনা তা নির্ভর করে তার বয়স ও স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর। তবে এবার জানা গেলো এতে জিনেটিক গঠনও গুরুত্বপূর্ন।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ডিএনএ গবেষণা করে তারা ঝুকিপূর্ন ব্যাক্তিদের আলাদা করতে পারবেন। এ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ১৬১০ জন কোভিড আক্রান্ত রোগির দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করেছেন। তাদের সবারই অক্সিজেন সাপ্লাই বা ভ্যান্টিলেটর লেগেছিলো।

এরপর তাদের সবার ডিএনএর তথ্য বের করে আনা হয় সেখান থেকে। এরসঙ্গে সুস্থ ২২০৫ জনের ডিএনএর পার্থক্য নির্নয় করেন তারা।

এর আগে চীনা বিজ্ঞানীরাও জানিয়েছিলেন যে, রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে তার অবস্থা সংকটানাপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রচুর। তবে এখনো প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে, রক্তের গ্রুপ কেনো এমন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারবে!

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এখনো গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। কোভিড আক্রান্ত হলে কিছু কিছু শরীরের ইমিউন সিস্টেম অত্যাধিক প্রতিক্রিয়া দেখায়। আর এর কারণে তার শ্বাসযন্ত্র কাজ করতে বন্ধ করে দেয়।

আপাতত বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, যেহেতু ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক আছে তাই এই কারনেই রক্তের গ্রুপের ভিন্নতার কারণে আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় একেক দেহে। এ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা চলছে।

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার বিজ্ঞানীরা আক্রান্ত ব্যক্তির ডিএনএ সংগ্রহ করে এর তথ্য একটি ওয়েবসাইটে আপলোড করতে শুরু করেছেন। এটিকে বলা হচ্ছে গবেষণার পরের ধাপ। ইতিমধ্যে এ থেকে ডিএনএর প্রভাব প্রমাণিত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

যে কারণে রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে ঝুঁকি ৫০ ভাগ বেশি

আপডেট সময় ০৭:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রক্তের গ্রুপ যাদের ‘এ পজেটিভ’ বা ‘এ নেগেটিভ’ তাদের গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিও বেশি।

ভেন্টিলেটর লাগার সম্ভাবনাও অন্য গ্রুপগুলোর থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এই ধরণের রক্তের গ্রুপ যাদের রয়েছে তারা অনেক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

মানবদেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শক্তি নিয়ে ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের এক গবেষনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

এতে বলা হয়েছে, এটাই প্রথম গবেষণা যাতে কোভিড -১৯’র সঙ্গে জিনগত প্রভাবের সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গেছে। জিনগত বৈচিত্র্যের কারণেই কোভিড -১৯ আক্রান্তদের মধ্যে আলাদা আলাদা প্রভাব দেখা যায়।

এতদিন শুধু ধারণা করা হয়েছে, কোভিড -১৯শে আক্রান্ত হলে রোগির অবস্থা গুরুতর হবে কিনা তা নির্ভর করে তার বয়স ও স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর। তবে এবার জানা গেলো এতে জিনেটিক গঠনও গুরুত্বপূর্ন।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ডিএনএ গবেষণা করে তারা ঝুকিপূর্ন ব্যাক্তিদের আলাদা করতে পারবেন। এ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ১৬১০ জন কোভিড আক্রান্ত রোগির দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করেছেন। তাদের সবারই অক্সিজেন সাপ্লাই বা ভ্যান্টিলেটর লেগেছিলো।

এরপর তাদের সবার ডিএনএর তথ্য বের করে আনা হয় সেখান থেকে। এরসঙ্গে সুস্থ ২২০৫ জনের ডিএনএর পার্থক্য নির্নয় করেন তারা।

এর আগে চীনা বিজ্ঞানীরাও জানিয়েছিলেন যে, রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে তার অবস্থা সংকটানাপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রচুর। তবে এখনো প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে, রক্তের গ্রুপ কেনো এমন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারবে!

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এখনো গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। কোভিড আক্রান্ত হলে কিছু কিছু শরীরের ইমিউন সিস্টেম অত্যাধিক প্রতিক্রিয়া দেখায়। আর এর কারণে তার শ্বাসযন্ত্র কাজ করতে বন্ধ করে দেয়।

আপাতত বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, যেহেতু ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক আছে তাই এই কারনেই রক্তের গ্রুপের ভিন্নতার কারণে আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় একেক দেহে। এ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা চলছে।

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার বিজ্ঞানীরা আক্রান্ত ব্যক্তির ডিএনএ সংগ্রহ করে এর তথ্য একটি ওয়েবসাইটে আপলোড করতে শুরু করেছেন। এটিকে বলা হচ্ছে গবেষণার পরের ধাপ। ইতিমধ্যে এ থেকে ডিএনএর প্রভাব প্রমাণিত হয়েছে।