ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছোট ভাইকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে জোরপূর্বক খাওয়ানো হয় মল-মূত্র

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তাবিজ ও জাদুটোনা করে ক্ষতি সাধনের সন্দেহে ছোট ভাইকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়েছে বড় ভাই, ভাইপো ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় জোরপূর্বক তাকে বড় ভাইয়ের স্ত্রীর মলমূত্র খাওয়ানো হয়। এ নির্যাতনের ভিডিওটি স্থানীয়রা মোবাইলে ধারণ করে পরে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার ২৪ শে আগস্ট দুপুর আড়াইটার সময়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভূক্তভোগী ইউনুস বাদী হয়ে তার বড় ভাই এবং ভাতিজাকে আসামী করে বামনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ভাতিজা সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।

রবিবার ২৭শে আগস্ট মামলার অপর আসামী সোহাগের পিতা আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক জমিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকেও জেলহাজতে পাঠায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামের মৃত আদম আলী মল্লিকের ছেলে মো. ইউনুস (৩৫) একজন মাছ ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার বড় ভাই মো. ইসমাইল (৪৪), স্ত্রী পারুল বেগম (৩৫) ও ছেলে সোহাগ (২২) জাদু টোনার মাধ্যমে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ এনে ইউনুসকে তার মা ও সন্তানদের সামনে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে লাঠিপেটা করে। এ সময় বাবাকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়–য়া ইউনুসের মেয়ে রুপালীও আহত হয়। এর পরে বোতলে পারুল বেগমের মলমূত্র ভরে তাকে জোরপূর্বক খাওয়ায় পিতাপুত্র। এতে ইউনুস গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বামনা থানা পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় নির্যাতনকারীরা। তবে সোহাগ পালিয়ে যাওয়ার সময় পূর্ব সফিপুর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছোট ভাইকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে জোরপূর্বক খাওয়ানো হয় মল-মূত্র

আপডেট সময় ০১:৪৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তাবিজ ও জাদুটোনা করে ক্ষতি সাধনের সন্দেহে ছোট ভাইকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়েছে বড় ভাই, ভাইপো ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় জোরপূর্বক তাকে বড় ভাইয়ের স্ত্রীর মলমূত্র খাওয়ানো হয়। এ নির্যাতনের ভিডিওটি স্থানীয়রা মোবাইলে ধারণ করে পরে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দিলে ব্যপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার ২৪ শে আগস্ট দুপুর আড়াইটার সময়। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ভূক্তভোগী ইউনুস বাদী হয়ে তার বড় ভাই এবং ভাতিজাকে আসামী করে বামনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। শনিবার এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ভাতিজা সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।

রবিবার ২৭শে আগস্ট মামলার অপর আসামী সোহাগের পিতা আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক জমিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকেও জেলহাজতে পাঠায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামের মৃত আদম আলী মল্লিকের ছেলে মো. ইউনুস (৩৫) একজন মাছ ব্যবসায়ী। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার বড় ভাই মো. ইসমাইল (৪৪), স্ত্রী পারুল বেগম (৩৫) ও ছেলে সোহাগ (২২) জাদু টোনার মাধ্যমে ক্ষতিসাধনের অভিযোগ এনে ইউনুসকে তার মা ও সন্তানদের সামনে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে লাঠিপেটা করে। এ সময় বাবাকে নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়–য়া ইউনুসের মেয়ে রুপালীও আহত হয়। এর পরে বোতলে পারুল বেগমের মলমূত্র ভরে তাকে জোরপূর্বক খাওয়ায় পিতাপুত্র। এতে ইউনুস গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বামনা থানা পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় নির্যাতনকারীরা। তবে সোহাগ পালিয়ে যাওয়ার সময় পূর্ব সফিপুর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।