ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘এবারের ঈদ দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রায় তিনমাস ধরেই ছুটিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্তদের সেবা ও দায়িত্ব পালনের তাগিদে পরিবার থেকে রয়েছেন দূরে।

কেমন যাবে এবার করোনার সম্মুখ যোদ্ধা এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ তা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে ।

রোববার (২৪ মে) কাছে এবারের ঈদে পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, জেলা করোনা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায় ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামসুদ্দোহা সরকার সঞ্চয়ের সঙ্গে।

ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আজকে তিনমাস যাবত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রত্যেক কর্মী দিন নেই রাত নেই অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এদের না আছে কোনো শুক্রবার, না আছে শনিবার। প্রতিটা দিন বাংলাদেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা এভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এবারের ঈদটা আসলে স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তারা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দেশকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সবাই যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদেও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিজেদের কার্যক্রম চালু রাখবে। নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের সেবা দেয়াসহ ল্যাবও চালু থাকবে। তবে শুধু ঈদের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে না, ওইদিন এখানে এসে নমুনা দিয়ে যেতে হবে।

ডা. গৌতম রায় জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই আমরা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবো। আমার পক্ষ থেকে বিশেষ সেমাই ও মিষ্টিমুখ করানো হবে স্বাস্থ্যকর্মী ও আক্রান্তদের। পরিবার ছাড়া ঈদ পালন হয়তো স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কিছুটা বেদনার, তবে এই সেবার মধ্যেই আমরা আমাদের ঈদ আনন্দকে খুঁজে নিচ্ছি।

ডা. সঞ্চয় জানান, করোনা রোগী যারা হাসপাতালে সেবা নিচ্ছেন এবং আমরা যারা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছি এখন এটিই আমাদের পরিবার। পরিবার থেকে দূরে ঈদ করার কষ্ট সত্যিই বেদনাদায়ক, তবে আমরা আমাদের দায়িত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ঈদের দিন, ছুটির দিন সবকিছুই এখন আমাদের জন্য এক। ঈদের দিন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছেন। পরিবারের সঙ্গে আপাতত মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বিনিময়েই আমাদের ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা সকলেই যেভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছি, ঈদের দিনও সেভাবেই পালন করবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘এবারের ঈদ দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা’

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রায় তিনমাস ধরেই ছুটিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্তদের সেবা ও দায়িত্ব পালনের তাগিদে পরিবার থেকে রয়েছেন দূরে।

কেমন যাবে এবার করোনার সম্মুখ যোদ্ধা এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের ঈদ তা নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও করোনা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে ।

রোববার (২৪ মে) কাছে এবারের ঈদে পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, জেলা করোনা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায় ও হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শামসুদ্দোহা সরকার সঞ্চয়ের সঙ্গে।

ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আজকে তিনমাস যাবত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রত্যেক কর্মী দিন নেই রাত নেই অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এদের না আছে কোনো শুক্রবার, না আছে শনিবার। প্রতিটা দিন বাংলাদেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীরা এভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এবারের ঈদটা আসলে স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তারা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে নিজেদের দায়িত্ববোধ ও দেশকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, সবাই যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদেও নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিজেদের কার্যক্রম চালু রাখবে। নমুনা সংগ্রহ, আক্রান্তদের সেবা দেয়াসহ ল্যাবও চালু থাকবে। তবে শুধু ঈদের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে না, ওইদিন এখানে এসে নমুনা দিয়ে যেতে হবে।

ডা. গৌতম রায় জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই আমরা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবো। আমার পক্ষ থেকে বিশেষ সেমাই ও মিষ্টিমুখ করানো হবে স্বাস্থ্যকর্মী ও আক্রান্তদের। পরিবার ছাড়া ঈদ পালন হয়তো স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কিছুটা বেদনার, তবে এই সেবার মধ্যেই আমরা আমাদের ঈদ আনন্দকে খুঁজে নিচ্ছি।

ডা. সঞ্চয় জানান, করোনা রোগী যারা হাসপাতালে সেবা নিচ্ছেন এবং আমরা যারা স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছি এখন এটিই আমাদের পরিবার। পরিবার থেকে দূরে ঈদ করার কষ্ট সত্যিই বেদনাদায়ক, তবে আমরা আমাদের দায়িত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ঈদের দিন, ছুটির দিন সবকিছুই এখন আমাদের জন্য এক। ঈদের দিন আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছেন। পরিবারের সঙ্গে আপাতত মুঠোফোনে শুভেচ্ছা বিনিময়েই আমাদের ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা সকলেই যেভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছি, ঈদের দিনও সেভাবেই পালন করবো।