ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যে কাজগুলো তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহান পালনকর্তার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে হজ। বিশ্বমুসলিম ঐক্যের প্রতীক হজ। হজের ফজিলত অপরিসীম। হজ সুনির্দিষ্ট কয়েকদিন। বাইতুল্লায় শুধুমাত্র জামাআতের সময় ছাড়া তাওয়াফ বন্ধ নাই। আর তাওয়াফ চলে সব সময়। সেটা হজের সময় হোক কিংবা ঈদ। এ কারণেই সঠিক পদ্ধতিতে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য এর বিধিবিধানে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো-

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে হজ আদায় করবে এবং কোন প্রকার অশ্লীলতা, গালমন্দ ও ফাসেকী কাজে লিপ্ত হবে না সে ব্যক্তি হজ পালন শেষে এমনিভাবে বাড়ি ফিরবে যেভাবে সে মায়ের পেঠ থেকে নিষ্পাপ অবস্থায় দুনিয়াতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলো। (বুখারি শরিফ)

তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ:

১. ছোট-বড় নাপাকি (হদসে আসগার/হদসে আকবার) থেকে গোসল/অজুর মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।

২. শরীরের যে সব অঙ্গ অনাবৃত থাকা নিষিদ্ধ, সেগুলো কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা।

৩. পায়ে হেঁটে তাওয়াফ করা। তবে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার জন্য ভিন্ন কথা।

৪. নিজের ডান দিক থেকে তাওয়াফ করা। অর্থাৎ হাজরে আসওয়াদ হতে বাইতুল্লাহর দরজা যে দিকে, সে দিকে তাওয়াফের জন্য অগ্রসর হওয়া।

৫. তাওয়াফের পর (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।

৬. হাজরে আসওয়াদের কোনোয় চিহ্নিত দাগ তাওয়াফ শুরু করা। তবে অনেকে এটাকে সুন্নাত বলেছেন।

৭. সাত চক্করের মাধ্যমে তাওয়াফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। অধিকাংশ চক্কর সম্পন্ন হলেই তাওয়াফের ফরজিয়ত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু সাত চক্কর পূর্ণ করা ওয়াজিব।

৮. তাওয়াফের সময় অবশ্যই হাতিমকে তাওয়াফের সীমার মধ্যে রাখবেন। অর্থাৎ বাইতুল্লাহকে হাতিমসহ তাওয়াফ করা।

উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোনটি ছুটে গেলে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে নতুবা দাম বা কুরবানি দিতে হবে। ওয়াজিব তরকের ভুলের জন্য কুরবানি দেয়াও ওয়াজিব বা আবশ্যক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যে কাজগুলো তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহান পালনকর্তার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে হজ। বিশ্বমুসলিম ঐক্যের প্রতীক হজ। হজের ফজিলত অপরিসীম। হজ সুনির্দিষ্ট কয়েকদিন। বাইতুল্লায় শুধুমাত্র জামাআতের সময় ছাড়া তাওয়াফ বন্ধ নাই। আর তাওয়াফ চলে সব সময়। সেটা হজের সময় হোক কিংবা ঈদ। এ কারণেই সঠিক পদ্ধতিতে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য এর বিধিবিধানে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো-

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে হজ আদায় করবে এবং কোন প্রকার অশ্লীলতা, গালমন্দ ও ফাসেকী কাজে লিপ্ত হবে না সে ব্যক্তি হজ পালন শেষে এমনিভাবে বাড়ি ফিরবে যেভাবে সে মায়ের পেঠ থেকে নিষ্পাপ অবস্থায় দুনিয়াতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলো। (বুখারি শরিফ)

তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ:

১. ছোট-বড় নাপাকি (হদসে আসগার/হদসে আকবার) থেকে গোসল/অজুর মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।

২. শরীরের যে সব অঙ্গ অনাবৃত থাকা নিষিদ্ধ, সেগুলো কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা।

৩. পায়ে হেঁটে তাওয়াফ করা। তবে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার জন্য ভিন্ন কথা।

৪. নিজের ডান দিক থেকে তাওয়াফ করা। অর্থাৎ হাজরে আসওয়াদ হতে বাইতুল্লাহর দরজা যে দিকে, সে দিকে তাওয়াফের জন্য অগ্রসর হওয়া।

৫. তাওয়াফের পর (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।

৬. হাজরে আসওয়াদের কোনোয় চিহ্নিত দাগ তাওয়াফ শুরু করা। তবে অনেকে এটাকে সুন্নাত বলেছেন।

৭. সাত চক্করের মাধ্যমে তাওয়াফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। অধিকাংশ চক্কর সম্পন্ন হলেই তাওয়াফের ফরজিয়ত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু সাত চক্কর পূর্ণ করা ওয়াজিব।

৮. তাওয়াফের সময় অবশ্যই হাতিমকে তাওয়াফের সীমার মধ্যে রাখবেন। অর্থাৎ বাইতুল্লাহকে হাতিমসহ তাওয়াফ করা।

উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোনটি ছুটে গেলে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে নতুবা দাম বা কুরবানি দিতে হবে। ওয়াজিব তরকের ভুলের জন্য কুরবানি দেয়াও ওয়াজিব বা আবশ্যক।