ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

যে কাজগুলো তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহান পালনকর্তার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে হজ। বিশ্বমুসলিম ঐক্যের প্রতীক হজ। হজের ফজিলত অপরিসীম। হজ সুনির্দিষ্ট কয়েকদিন। বাইতুল্লায় শুধুমাত্র জামাআতের সময় ছাড়া তাওয়াফ বন্ধ নাই। আর তাওয়াফ চলে সব সময়। সেটা হজের সময় হোক কিংবা ঈদ। এ কারণেই সঠিক পদ্ধতিতে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য এর বিধিবিধানে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো-

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে হজ আদায় করবে এবং কোন প্রকার অশ্লীলতা, গালমন্দ ও ফাসেকী কাজে লিপ্ত হবে না সে ব্যক্তি হজ পালন শেষে এমনিভাবে বাড়ি ফিরবে যেভাবে সে মায়ের পেঠ থেকে নিষ্পাপ অবস্থায় দুনিয়াতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলো। (বুখারি শরিফ)

তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ:

১. ছোট-বড় নাপাকি (হদসে আসগার/হদসে আকবার) থেকে গোসল/অজুর মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।

২. শরীরের যে সব অঙ্গ অনাবৃত থাকা নিষিদ্ধ, সেগুলো কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা।

৩. পায়ে হেঁটে তাওয়াফ করা। তবে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার জন্য ভিন্ন কথা।

৪. নিজের ডান দিক থেকে তাওয়াফ করা। অর্থাৎ হাজরে আসওয়াদ হতে বাইতুল্লাহর দরজা যে দিকে, সে দিকে তাওয়াফের জন্য অগ্রসর হওয়া।

৫. তাওয়াফের পর (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।

৬. হাজরে আসওয়াদের কোনোয় চিহ্নিত দাগ তাওয়াফ শুরু করা। তবে অনেকে এটাকে সুন্নাত বলেছেন।

৭. সাত চক্করের মাধ্যমে তাওয়াফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। অধিকাংশ চক্কর সম্পন্ন হলেই তাওয়াফের ফরজিয়ত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু সাত চক্কর পূর্ণ করা ওয়াজিব।

৮. তাওয়াফের সময় অবশ্যই হাতিমকে তাওয়াফের সীমার মধ্যে রাখবেন। অর্থাৎ বাইতুল্লাহকে হাতিমসহ তাওয়াফ করা।

উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোনটি ছুটে গেলে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে নতুবা দাম বা কুরবানি দিতে হবে। ওয়াজিব তরকের ভুলের জন্য কুরবানি দেয়াও ওয়াজিব বা আবশ্যক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যে কাজগুলো তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

মহান পালনকর্তার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে হজ। বিশ্বমুসলিম ঐক্যের প্রতীক হজ। হজের ফজিলত অপরিসীম। হজ সুনির্দিষ্ট কয়েকদিন। বাইতুল্লায় শুধুমাত্র জামাআতের সময় ছাড়া তাওয়াফ বন্ধ নাই। আর তাওয়াফ চলে সব সময়। সেটা হজের সময় হোক কিংবা ঈদ। এ কারণেই সঠিক পদ্ধতিতে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য এর বিধিবিধানে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো-

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে হজ আদায় করবে এবং কোন প্রকার অশ্লীলতা, গালমন্দ ও ফাসেকী কাজে লিপ্ত হবে না সে ব্যক্তি হজ পালন শেষে এমনিভাবে বাড়ি ফিরবে যেভাবে সে মায়ের পেঠ থেকে নিষ্পাপ অবস্থায় দুনিয়াতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলো। (বুখারি শরিফ)

তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ:

১. ছোট-বড় নাপাকি (হদসে আসগার/হদসে আকবার) থেকে গোসল/অজুর মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।

২. শরীরের যে সব অঙ্গ অনাবৃত থাকা নিষিদ্ধ, সেগুলো কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা।

৩. পায়ে হেঁটে তাওয়াফ করা। তবে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার জন্য ভিন্ন কথা।

৪. নিজের ডান দিক থেকে তাওয়াফ করা। অর্থাৎ হাজরে আসওয়াদ হতে বাইতুল্লাহর দরজা যে দিকে, সে দিকে তাওয়াফের জন্য অগ্রসর হওয়া।

৫. তাওয়াফের পর (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।

৬. হাজরে আসওয়াদের কোনোয় চিহ্নিত দাগ তাওয়াফ শুরু করা। তবে অনেকে এটাকে সুন্নাত বলেছেন।

৭. সাত চক্করের মাধ্যমে তাওয়াফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। অধিকাংশ চক্কর সম্পন্ন হলেই তাওয়াফের ফরজিয়ত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু সাত চক্কর পূর্ণ করা ওয়াজিব।

৮. তাওয়াফের সময় অবশ্যই হাতিমকে তাওয়াফের সীমার মধ্যে রাখবেন। অর্থাৎ বাইতুল্লাহকে হাতিমসহ তাওয়াফ করা।

উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোনটি ছুটে গেলে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে নতুবা দাম বা কুরবানি দিতে হবে। ওয়াজিব তরকের ভুলের জন্য কুরবানি দেয়াও ওয়াজিব বা আবশ্যক।