আকাশ নিউজ ডেস্ক:
মহান পালনকর্তার সান্নিধ্য ও সন্তোষ লাভের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে হজ। বিশ্বমুসলিম ঐক্যের প্রতীক হজ। হজের ফজিলত অপরিসীম। হজ সুনির্দিষ্ট কয়েকদিন। বাইতুল্লায় শুধুমাত্র জামাআতের সময় ছাড়া তাওয়াফ বন্ধ নাই। আর তাওয়াফ চলে সব সময়। সেটা হজের সময় হোক কিংবা ঈদ। এ কারণেই সঠিক পদ্ধতিতে তাওয়াফ সম্পন্ন করার জন্য এর বিধিবিধানে গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তাওয়াফকারীদের জন্য ওয়াজিব বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো-
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তোষ লাভের উদ্দেশ্যে হজ আদায় করবে এবং কোন প্রকার অশ্লীলতা, গালমন্দ ও ফাসেকী কাজে লিপ্ত হবে না সে ব্যক্তি হজ পালন শেষে এমনিভাবে বাড়ি ফিরবে যেভাবে সে মায়ের পেঠ থেকে নিষ্পাপ অবস্থায় দুনিয়াতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলো। (বুখারি শরিফ)
তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ:
১. ছোট-বড় নাপাকি (হদসে আসগার/হদসে আকবার) থেকে গোসল/অজুর মাধ্যমে পবিত্র হওয়া।
২. শরীরের যে সব অঙ্গ অনাবৃত থাকা নিষিদ্ধ, সেগুলো কাপড় দ্বারা আবৃত রাখা।
৩. পায়ে হেঁটে তাওয়াফ করা। তবে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার জন্য ভিন্ন কথা।
৪. নিজের ডান দিক থেকে তাওয়াফ করা। অর্থাৎ হাজরে আসওয়াদ হতে বাইতুল্লাহর দরজা যে দিকে, সে দিকে তাওয়াফের জন্য অগ্রসর হওয়া।
৫. তাওয়াফের পর (মাকামে ইবরাহিমে) দুই রাকাআত নামাজ আদায় করা।
৬. হাজরে আসওয়াদের কোনোয় চিহ্নিত দাগ তাওয়াফ শুরু করা। তবে অনেকে এটাকে সুন্নাত বলেছেন।
৭. সাত চক্করের মাধ্যমে তাওয়াফ পূর্ণ করা ওয়াজিব। অধিকাংশ চক্কর সম্পন্ন হলেই তাওয়াফের ফরজিয়ত আদায় হয়ে যায়। কিন্তু সাত চক্কর পূর্ণ করা ওয়াজিব।
৮. তাওয়াফের সময় অবশ্যই হাতিমকে তাওয়াফের সীমার মধ্যে রাখবেন। অর্থাৎ বাইতুল্লাহকে হাতিমসহ তাওয়াফ করা।
উল্লেখ্য যে, উল্লেখিত বিষয়গুলোর কোনটি ছুটে গেলে পুনরায় তাওয়াফ করতে হবে নতুবা দাম বা কুরবানি দিতে হবে। ওয়াজিব তরকের ভুলের জন্য কুরবানি দেয়াও ওয়াজিব বা আবশ্যক।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























