ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি তরিকত ফেডারেশনের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধু এবং সাংসদদের নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দেওয়ায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এই দাবি জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে তিনি এ নিয়ে মামলা করতেও আগ্রহী। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

রায়ের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, সেখানে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সাংসদদের নিয়ে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে নয়। পর্যবেক্ষণ ও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

তারা মনে করেন, এই পর্যবেক্ষণ চক্রান্তের ফসল। এর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি বাহাত্তরের সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক শাসকের ফরমানের মাধ্যমে জারি করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করেছেন।

নজিবুল বশর বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহালের মাধ্যমে এই সংশোধনীতে তিনি প্রজাতন্ত্রের ঠিক করা বিচারকাজে বিচারপতিদের বয়স অমিট করে দিয়েছেন। তাহলে জজ সাহেবরা কত বছর থাকবেন? কখন তারা অবসরে যাবেন এগুলোও তিনি অমিট করে দিয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন, তাহলে তিনি কী আজীবন থাকতে চাচ্ছেন? তিনি ডমিনেট করছেন।’

আওয়ামী লীগের শরিক দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা চক্রে অনেক বিচারপতিকে ডাকা হয়েছিল, সেই চা চক্রে উনিও (এস কে সিনহা) ছিলেন। তাহলে উনি স্বাধীনতার সময় শান্তি কমিটিতে থেকে পাকিস্তানিদের সাথে এডজাস্টম্যান্ট করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা খেয়ে মঈন ইউ আহমেদ-ফখরুদ্দিনের সাথেও এডজাস্টম্যান্ট করেছেন।’

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব এম এ আউয়াল অনতিবিলম্বে এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ আবু দাউদ মসনভী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুকী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি তরিকত ফেডারেশনের

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধু এবং সাংসদদের নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দেওয়ায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এই দাবি জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে তিনি এ নিয়ে মামলা করতেও আগ্রহী। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

রায়ের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, সেখানে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সাংসদদের নিয়ে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে নয়। পর্যবেক্ষণ ও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

তারা মনে করেন, এই পর্যবেক্ষণ চক্রান্তের ফসল। এর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি বাহাত্তরের সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক শাসকের ফরমানের মাধ্যমে জারি করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করেছেন।

নজিবুল বশর বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহালের মাধ্যমে এই সংশোধনীতে তিনি প্রজাতন্ত্রের ঠিক করা বিচারকাজে বিচারপতিদের বয়স অমিট করে দিয়েছেন। তাহলে জজ সাহেবরা কত বছর থাকবেন? কখন তারা অবসরে যাবেন এগুলোও তিনি অমিট করে দিয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন, তাহলে তিনি কী আজীবন থাকতে চাচ্ছেন? তিনি ডমিনেট করছেন।’

আওয়ামী লীগের শরিক দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা চক্রে অনেক বিচারপতিকে ডাকা হয়েছিল, সেই চা চক্রে উনিও (এস কে সিনহা) ছিলেন। তাহলে উনি স্বাধীনতার সময় শান্তি কমিটিতে থেকে পাকিস্তানিদের সাথে এডজাস্টম্যান্ট করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা খেয়ে মঈন ইউ আহমেদ-ফখরুদ্দিনের সাথেও এডজাস্টম্যান্ট করেছেন।’

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব এম এ আউয়াল অনতিবিলম্বে এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ আবু দাউদ মসনভী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুকী প্রমুখ।