ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি তরিকত ফেডারেশনের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধু এবং সাংসদদের নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দেওয়ায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এই দাবি জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে তিনি এ নিয়ে মামলা করতেও আগ্রহী। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

রায়ের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, সেখানে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সাংসদদের নিয়ে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে নয়। পর্যবেক্ষণ ও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

তারা মনে করেন, এই পর্যবেক্ষণ চক্রান্তের ফসল। এর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি বাহাত্তরের সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক শাসকের ফরমানের মাধ্যমে জারি করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করেছেন।

নজিবুল বশর বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহালের মাধ্যমে এই সংশোধনীতে তিনি প্রজাতন্ত্রের ঠিক করা বিচারকাজে বিচারপতিদের বয়স অমিট করে দিয়েছেন। তাহলে জজ সাহেবরা কত বছর থাকবেন? কখন তারা অবসরে যাবেন এগুলোও তিনি অমিট করে দিয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন, তাহলে তিনি কী আজীবন থাকতে চাচ্ছেন? তিনি ডমিনেট করছেন।’

আওয়ামী লীগের শরিক দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা চক্রে অনেক বিচারপতিকে ডাকা হয়েছিল, সেই চা চক্রে উনিও (এস কে সিনহা) ছিলেন। তাহলে উনি স্বাধীনতার সময় শান্তি কমিটিতে থেকে পাকিস্তানিদের সাথে এডজাস্টম্যান্ট করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা খেয়ে মঈন ইউ আহমেদ-ফখরুদ্দিনের সাথেও এডজাস্টম্যান্ট করেছেন।’

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব এম এ আউয়াল অনতিবিলম্বে এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ আবু দাউদ মসনভী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুকী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেলুনের ভেতরেই চলছে নির্মাণকাজ, ধুলা-শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের নতুন প্রযুক্তি

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবি তরিকত ফেডারেশনের

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের পর্যবেক্ষণে বঙ্গবন্ধু এবং সাংসদদের নিয়ে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য দেওয়ায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ দাবি করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি এই দাবি জানান।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে তিনি এ নিয়ে মামলা করতেও আগ্রহী। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।

রায়ের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, সেখানে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করা হয়েছে। সাংসদদের নিয়ে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে নয়। পর্যবেক্ষণ ও প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

তারা মনে করেন, এই পর্যবেক্ষণ চক্রান্তের ফসল। এর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি বাহাত্তরের সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক শাসকের ফরমানের মাধ্যমে জারি করা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করেছেন।

নজিবুল বশর বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহালের মাধ্যমে এই সংশোধনীতে তিনি প্রজাতন্ত্রের ঠিক করা বিচারকাজে বিচারপতিদের বয়স অমিট করে দিয়েছেন। তাহলে জজ সাহেবরা কত বছর থাকবেন? কখন তারা অবসরে যাবেন এগুলোও তিনি অমিট করে দিয়েছেন। আমাদের প্রশ্ন, তাহলে তিনি কী আজীবন থাকতে চাচ্ছেন? তিনি ডমিনেট করছেন।’

আওয়ামী লীগের শরিক দলের এই নেতা আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা চক্রে অনেক বিচারপতিকে ডাকা হয়েছিল, সেই চা চক্রে উনিও (এস কে সিনহা) ছিলেন। তাহলে উনি স্বাধীনতার সময় শান্তি কমিটিতে থেকে পাকিস্তানিদের সাথে এডজাস্টম্যান্ট করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় চা খেয়ে মঈন ইউ আহমেদ-ফখরুদ্দিনের সাথেও এডজাস্টম্যান্ট করেছেন।’

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব এম এ আউয়াল অনতিবিলম্বে এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ আবু দাউদ মসনভী হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুকী প্রমুখ।